অমিত্রাক্ষর ছন্দের বৈশিষ্ট্য হলো-
'অমিত্রাক্ষর ছন্দ' হলো অন্ত্যমিলনহীন এবং যতির বাধাধরা নিয়ম লঙ্ঘনকারী ছন্দবিশেষ। এর ইংরেজি পরিভাষা Blank verse । অমিত্রাক্ষরে ভাবের প্রবহমানতা নেই এবং ১৪ মাত্রার চরণ থাকে এবং চরণ শেষে অন্ত্যমিল থাকে না।
Related Questions
শুদ্ধ শব্দটি হলো দ্বন্দ্ব। বানানটি লক্ষ্য করলে দেখা যায়: দ্ + ব (ব-ফলা) + ন + দ্ + ব (ব-ফলা), অর্থাৎ এতে দুটি 'ব-ফলা' যুক্ত রয়েছে l
"যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ, সুতরাং তুমি প্রথম হবে" বাক্যটি একটি জটিল বাক্য।যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল থাকে এবং সাপেক্ষবাচক শব্দ (যেমন— যেহেতু... সুতরাং, যদি... তবে, যারা... তারা) ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বাক্য বলে। এই বাক্যে "তুমি প্রথম হবে" হলো প্রধান খণ্ডবাক্য এবং "যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ" হলো এর ওপর নির্ভরশীল আশ্রিত খণ্ডবাক্য।
কর্তা যা করে বা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে কর্মকারক বলে। যেমন - তুমি বই পড় ; এখানে 'বই' কর্মকারক । যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দান করা হয় তাকে সম্প্রদান কারক বলে। যেমন - দরিদ্রকে ধন দাও । ক্রিয়ার সময়, বিষয় ও স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। যেমন - শিশুরা খেলা করছে। সুতরাং প্রশ্নে 'ঔষধ'কর্মকে কেন্দ্র করে দেয়া ক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ায় 'ঔষধ' শব্দটি কর্মকারক (শূন্য বিভক্তি)।
- 'চাঁদমুখ এর ব্যাসবাক্য হলো 'মুখ চাঁদের ন্যায় / চাঁদের মতো মুখ ।' এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
- সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
- এক্ষেত্রে সাধারণ গুণটি ব্যাসবাক্য বা সমস্তপদে থাকে না, বরং অনুমান করে নেওয়া হয়। এ সমাসে উপমেয় পদটি পূর্বে বসে।
যেমন: মুখ চন্দ্রের ন্যায়= চন্দ্রমুখ, পুরুষ সিংহের ন্যায়= সিংহপুরুষ।
জব সলুশন