সুবাদার ইসলাম খান ঢাকার নাম রাখেন ---
সম্রাট জাহাঙ্গীর, ইসলাম খানকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন। ইসলাম খানের আসল নাম শেখ আলাউদ্দিন চিশতী। সুবাদার ইসলাম খান ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী বিহারের রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং ঢাকার নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর।
Related Questions
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে।
• প্রতিষ্ঠার তারিখ "১ জুলাই" ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
• ৩টি অনুষদ ১২টি বিভাগ ও ৩টি আবাসিক হল নিয়ে যাত্রা শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত কমিটির নাম "নাথান কমিশন"।
• প্রথম উপাচার্য - ফিলিপ জোসেফ হার্টজ।
• প্রথম মুসলমান ও উপমহাদেশের উপাচার্য স্যার এ. এফ রহমান।
মোডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয়। এটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপকে টেলিফোন লাইন বা মোবাইল নেটওয়ার্কের (সিমের মাধ্যমে) সাহায্যে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) বা ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে।
বায়োগ্যাস কোনো জীবাশ্ম জ্বালানী নয়。বায়োগ্যাস তৈরি হয় উদ্ভিদ ও প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ (যেমন- গোবর, কৃষি বর্জ্য, ইত্যাদি) অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে পচিয়ে। এটি একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, অপরদিকে কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো অনবায়নযোগ্য জীবাশ্ম জ্বালানী যা ভূ-গর্ভে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে তৈরি হয়।
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের জন্য চারটি বিভাগে খেতাব প্রদান করে। মোট ৬৭৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়। ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ৬৮ জন বীর উত্তম, ১৭৫ জন বীর বিক্রম, ৪২৬ জন বীর প্রতীক।
উল্লেখ্য সর্বশেষ বীর - উত্তম পদক পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদ (২০১০) মরণোত্তর সহ মোট বীর - উত্তম ৬৯ জন। বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালের আগস্টে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য তাকে ২০১০ সালে মরণোত্তর বীর - উত্তম পদক প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির উপর আদালতের এখতিয়ার নেই। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হচ্ছে রাষ্ট্রপতি। তিনি পদ মর্যাদার দিক থেকে সর্ব শীর্ষ ব্যক্তিত্ব। তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য গনের ভোটে পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হন। সংবিধান লঙ্ঘণ বা গুরুতর অসাধারণের অভিযোগে অথবা শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের কারণে জাতীয় সংসদ রাষ্ট্রপতি কে তার পদ থেকে অপসারণ করতে পারব।
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন আইন ও সংসদীয় মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। এ কমিটির দায়িত্ব ছিল সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করা। কমিটি ৭১টি অধিবেশনে মিলিত হয়ে স্বীয় দায়িত্ব পালন করে এবং ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পেশ করে, যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
জব সলুশন