কোন শব্দে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
বিভিন্ন বিদেশি ভাষার সঙ্গে সঙ্গে সে সব ভাষার কিছু কিছু উপসর্গও বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। এই সব বিদেশি ভাষার উপসর্গগুলোই বিদেশি উপসর্গ।
- বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি উপসর্গ রয়েছে। যেমন—বে, বর, বদ, ফি, গর, নিম, দর, কাম ইত্যাদি।
- প্রয়োগ: বে—বেয়াদব, বেসামাল। বদ—বদলোক, বদনাম।
- বাংলা ভাষায় বিদেশি উপসর্গগুলো সাধারণত আরবি, ফারসি, হিন্দি, উওর্দু ও ইংরেজি থেকে এসেছে।
Related Questions
সঠিক বাক্য: বিদ্বান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার স্বীকার হন।
বাক্যটি সঠিক কারণ, বাক্যটিতে সাধু রীতি ও চলিত রীতি বা তৎসম ও বাংলা শব্দের মিশ্রণ নেই অর্থাৎ গুরুচণ্ডালী দোষ মুক্ত। আবার, বাক্যে সঠিক বিশেষ্য পদ "দরিদ্রতা" ব্যবহার করা হয়েছে।
'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়?'- চরণটির রচয়িতা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়।
- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার বাকুলিয়ায় তাঁর জন্ম।
- তিনি বাংলা, ইংরেজি, সংস্কৃত ও উড়িয়া ভাষা ও সাহিত্যে ব্যুৎপন্ন ছিলেন। ছাত্রাবস্থায় ঈশ্বরগুপ্তের সংবাদ প্রভাকরএ তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়।
- তিনি নিজে কলকাতা থেকে মাসিক রস সাগর (১৮৫২) (পরিবর্তিত নাম সংবাদ সাগর) ও সাপ্তাহিক বার্তাবহ (১৮৫৬) সম্পাদনা করেন। এডুকেশন গেজেট পত্রিকা (১৮৫৫) প্রকাশিত হলে তিনি তার সহসম্পাদক নিযুক্ত হন। এতে তাঁর গদ্যপদ্য উভয় প্রকার রচনা প্রকাশিত হতো।
- রঙ্গলালের প্রথম ও প্রধান সাহিত্যকীর্তি পদ্মিনী উপাখ্যান ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
- এটি ইংরেজি কাব্যাদর্শের অনুসরণে টডের Annals and Antiquities of Rajasthan-এর কাহিনী অবলম্বনে রচিত ঐতিহাসিক রোমান্সধর্মী কাব্য।
- ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়/ দাসত্বশৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে, কে পরিবে পায়।’
- পদ্মিনী উপাখ্যানে তাঁর এই উক্তি পরবর্তীকালে স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র হিসেবে কাজ করেছে।
তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্য হচ্ছে:
- কর্মদেবী (১৮৬২),
- শূরসুন্দরী (১৮৬৮) ও
- কাঞ্চী কাবেরী (১৮৭৯)।
- তিনি কালিদাসের ঋতুসংহার ও কুমারসম্ভব-এর পদ্যানুবাদ (১৮৭২) করেন।
- তাঁর নীতিকুসুমাঞ্জলি (১৮৭২) সংস্কৃত নীতি ও তত্ত্বমূলক কবিতার অপর পদ্যানুবাদ।
- ১৮৮৭ খ্রিস্টাব্দের ১৩ মে তাঁর মৃত্যু হয়।
ক্রিয়াপদের মূল অংশকে 'ধাতু' বলা হয়। ক্রিয়া গঠন করতে হলে ধাতুর সাথে বিভক্তি, প্রত্যয় ইত্যাদি যুক্ত হয়। যেমন, 'করছে' ক্রিয়াপদের ধাতু হল 'কর্'।
অপশন ক) বিভক্তি: বিভক্তি হল কারক-প্রকরণ ও ক্রিয়ার কাল নির্ণয়ে ব্যবহৃত বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা পদের শেষে যুক্ত হয়। যেমন: 'আমি বই পড়ছি' – এখানে 'ছি' হল ক্রিয়ার বিভক্তি।
অপশন গ) প্রত্যয়: প্রত্যয় হল এক ধরণের বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে অথবা ক্রিয়াপদকে বিশেষ রূপ দেয়।
অপশন ঘ) কৃৎ: কৃৎ হল এক প্রকার প্রত্যয় যা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়া-বিশেষণ পদ গঠন করে। যেমন: 'কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ' করা ' থেকে ' কাজ ' (বিশেষ্য) তৈরি হয়।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে বা জোরে ঘোরা রেগুলেটর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। রেগুলেটর মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখা বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। রেগুলেটরি পরিবর্তনশীল রোধ থাকে। তাই পাখা ধীরে ঘুরলেও বিদ্যুৎ খরচ একই হয় কারণ এ সময় রেগুলেটরি বিদ্যুৎ শক্তি তাপ শক্তি হিসেবে অপচয় হয়।
সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে স্টোরেজ ব্যাটারী।
মানবদেহে সাধারণত ২৩ জোড়া ক্রোমেমােজোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জােড়া স্ত্রী ও পুরুষে একই রকম। এদের অটেজোম বলা হয়। বাকি এক জোড়া মানুষের লিঙ্গ নির্ধরণ করে বলে এদের সেক্স ক্রোমোজোম বলে।
জব সলুশন