কোনো শব্দ শোনার পর কত সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিস্কে থাকে?
কোনো শব্দ শোনার পর প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে । এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে । কোনো শব্দ শোনার পর যদি ০.১ সেকেন্ডের মধ্যে আরেকটি শব্দ আমাদের কানে এসে পৌছায় তবে আমাদের মস্তিষ্ক দুটি শব্দ আলাদাভাবে শনাক্ত করতে বা বুঝতে পারে না ।
Related Questions
- টেলিভিশনে রঙ্গিন ছবি উৎপাদনের জন্য তিনটি মৌলিক রং-এর ছবি ব্যবহার করা হয়।
- এই তিনটি রঙ হল: লাল, সবুজ, নীল।
- এই তিনটি রঙকে বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে আমাদের চারপাশে দৃশ্যমান সকল রঙই তৈরি করা সম্ভব। - এজন্যই টেলিভিশনে বিভিন্ন রঙের রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য এই তিনটি মৌলিক রঙ ব্যবহার করা হয়।
- টেলিভিশনে রঙিন ছবি তৈরি করার জন্য, প্রথমে ছবিকে ছোট ছোট পিক্সেলে বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি পিক্সেলের জন্য, তিনটি সংকেত তৈরি করা হয়: লাল, সবুজ এবং নীল। এই সংকেতগুলি প্রতিটি পিক্সেলের তীব্রতা নির্দেশ করে। তীব্রতা যত বেশি, রঙ তত উজ্জ্বল।
- এই তিনটি সংকেতকে একত্রিত করে, টেলিভিশন প্রতিটি পিক্সেলের জন্য একটি নির্দিষ্ট রঙ তৈরি করে। লাল, সবুজ এবং নীলের বিভিন্ন তীব্রতা মিশিয়ে প্রায় যেকোনো রঙ তৈরি করা সম্ভব।
ইলেকট্রন , প্রোটন ও নিউট্রনের সমন্বয়ে একটি পরমাণু গঠিত । নিউট্রন ও প্রোটনের সমন্বয়ে গঠিত হয় পরমাণুর নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের চারদিকে পরিভ্রমণ করতে থাকে। নিউক্লিয়াসের প্রোটন ধনাত্মক চার্জযুক্ত , নিউট্রন চার্জ নিরপেক্ষ এবং ইলেকট্রন ঋণাত্মক চার্জযুক্ত। একটি পরমাণুতে স্বাভাবিক অবস্থায় সর্বদা যতটা ইলেকট্রন থাকে ঠিক ততটা প্রোটন থাকে। তাই ঋণাত্মক ও ধনাত্মক চার্জ সমান থাকায় পরমাণু চার্জ নিরপেক্ষ হয়।
• বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের কারণে চাঁদ দিগন্তের কাছে বড় দেখায় । কেননা এই বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের কারণে আলোক রশ্মি দিক পরিবর্তন করে। যার ফলে চাঁদ বড় দেখায় ।
• অন্যদিকে , আলোর বিচ্ছুরণ , অপবর্তন , দৃষ্টি বিভ্রম এর সাথে প্রাসঙ্গিক নয় ।
চন্দ্রের আকর্ষণ এবং পৃথিবীর আকর্ষণ বলের প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময়ে স্থানবিশেষে ফুলে উঠে এবং
অন্যত্রে নেমে যায়। সমুদ্রের পানি ফুলে উঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
জোয়ারের ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়।
জব সলুশন