'তেপান্তর' কোন সমাসের উদাহরণ?
'তেপান্তর' দ্বিগু সমাসের উদাহরণ।
সমাহার বা সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়। তবে অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
ত্রিকাল (তিন কালের সমাহার), চৌরাস্তা (চৌরাস্তার সমাহার), তেমাথা (তিন মাথার সমাহার), শতাব্দী (শত অব্দের সমাহার), পঞ্চবটী (পঞ্চবটের সমাহার), ত্রিপদী (ত্রি বা তিন পদের সমাহার), ত্রিফলা (ত্রি বা তিন ফলের সমাহার), নবরত্ন (নব বা নয় রত্নের সমাহার), তেপান্তর (তিন বা তে প্রান্তরের সমাহার)।
Related Questions
বর্ণকে ধ্বনি নির্দেশক প্রতিক বলা হয়।
প্রদত্ত বাক্যে ‘না’ এর ব্যবহার ‘হ্যাঁ' বোধক।
-কারণ, মনে রাখবেন- নেতিবাচক/না বোধক বাক্য দ্বারা ‘প্রশ্ন করলে’ সবসময় হ্যাঁ-বাচক অর্থ প্রকাশ করে। যেমনঃ
- রবীন্দ্রনাথের বই যে ভাল, তা কি আমি জানি না? -এখানে বক্তা আসলে জানেন যে, রবীন্দ্রনাথের বই ভাল।
-এরূপ- উক্ত বাক্যে আগামী কাল আসার বিষয়টির নিশ্চয়তা প্রকাশে না এর ব্যবহার হয়েছে, যা মূলত নিশ্চয়তা জ্ঞাপক বিবৃতি প্রকাশ করছে। তাই শুদ্ধ উত্তর হ্যাঁ- বাচক।
এরূপ- বিভিন্ন অর্থে ‘না’ অব্যয়টি ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন-
নিষেধ অর্থেঃ এখন যেও না (ক্রিয়া বিশেষণ) ।
বিকল্প প্রকাশে : তিনি যাবেন, না হয় আমি যাব।
আদর প্রকাশে বা অনুরোধে : আর একটি মিষ্টি খাও না খোকা। আর একটা গান গাও না।
সম্ভাবনায় : তিনি না কি ঢাকায় যাবেন।
বিস্ময়ে : কী করেই না দিন কাটাচ্ছ!
তুলনায় : ছেলে তো না, যেন একটা হিটলার।
জব সলুশন