মিশর সুয়েজখাল জাতীয়করণ করেছিল-

ক) ১৯৫৬ সালে
খ) ১৯৫৫ সালে
গ) ১৯৫৪ সালে
ঘ) ১৯৫৩ সালে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

সুয়েজ খাল মিসরের মূল ভূখণ্ড থেকে দেশটির সিনাই উপদ্বীপকে পৃথক করেছে। আর সংযুক্ত করেছে ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে। এটির নির্মাণকাল ১৮৫৯ - ১৮৬৯ পর্যন্ত। আর এটি মিসর সরকার ১৯৫৬ সালে জাতীয়করণ করে। মিসর সরকার সুয়েজখালের সমান্তরালে আরো একটি খাল উদ্ধোধন করেছে।

Related Questions

ক) ওয়াশিংটন
খ) প্যারিস
গ) মস্কো
ঘ) লন্ডন
Note :

ট্রাফালগার স্কোয়ার (Trafalgar Square) লন্ডনে অবস্থিত। এটি একটি প্রধান জনসমাগমস্থল, যা লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার সিটিতে অবস্থিত। এটি ১৮০৫ সালে ট্রাফালগারের যুদ্ধের স্মরণে নির্মিত হয়েছিল।

অপশন ক) ওয়াশিংটন: ওয়াশিংটন ডিসি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ।

অপশন খ) প্যারিস: প্যারিস ফ্রান্সের রাজধানী এবং এখানে বিখ্যাত স্থান যেমন আইফেল টাওয়ার, লুভর মিউজিয়াম থাকলেও ট্রাফালগার স্কোয়ার প্যারিসে অবস্থিত নয়।

অপশন গ) মস্কো: মস্কো রাশিয়ার রাজধানী এবং এখানে রেড স্কোয়ারের মতো বিখ্যাত স্থান থাকলেও ট্রাফালগার স্কোয়ার মস্কোতে অবস্থিত নয়।

ক) লিওপোন্ডভিল
খ) জিম্বাবুয়ে
গ) জিবুতি
ঘ) কঙ্গো
Note :

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাম পরিবর্তন করে জায়ারে নামকরণ করেন প্রেসিডেন্ট মবুতু। পরবর্তীতে লরা কাবিলা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ১৭ মে ১৯৯৭ সালে দেশের আগের নাম কঙ্গো প্রজাতন্ত্র বহাল রাখেন।

ক) ১৪ জুলাই ১৭৮৯
খ) ৭ জুন ১৭৮৮
গ) ৫ অক্টোবর ১৭৮৮
ঘ) ২৬ আগস্ট ১৭৮৮
Note :

বাস্তিল দুর্গ টি ছিল বুরবো রাজবংশের স্বৈরতন্ত্রের প্রতীক। ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্স রাজ্যের প্যারিস কুখ্যাত বাস্তিলে বিক্ষোভ হয়। এই বাস্তিল দুর্গের পতনের মধ্য দিয়ে ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়।

ক) ওএইউ
খ) আরব লীগ
গ) জিসিসি
ঘ) ওএএম
Note :

GCC (Gulf Cooperation Council) হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনেতিক জোট। এটি ১৯৮১ সালে গঠিত হয়।

ক) নরওয়ে
খ) ফিনল্যাণ্ড
গ) ইন্দোনেশিয়া
ঘ) জাপান
Note :

ফিনল্যান্ডকে বলা হয় 'হাজার হ্রদের দেশ'। 'ধীবরের দেশ' বলা হয় নরওয়েকে। সুইডেনকে বলা হয় 'ইউরোপের স'মিল'। 'ইউরোপের ক্রীড়াঙ্গন' নামে পরিচিত সুইজারল্যান্ড

ক) ৪,০০,০০০
খ) ৪০,০০০
গ) ৪৪,০০০
ঘ) ৩৪,০০০
Note :

জেমস গ্রান্টের মতে প্রতিরোধযোগ্য পীড়ায় বিশ্বে প্রতিদিন শিশু মৃত্যুর সংখ্যা - - ৪০, ০০০।

বিশ বছর আগে ১৯৯০ সালে বিশ্বে ৫ বছরের কম বয়সী ১ কোটি ২০ লাখ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। কিন্তু ২০ বছর পর ২০১১ সালে ৫ বছরের কম বয়সী ৬৯ লাখ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৯৯০ সালে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুর মৃত্যুর দৈনিক হার ছিল প্রায় ৩৩ হাজার, আর গত বছর এ হার ছিল দৈনিক ১৯ হাজার।

যে সব দেশ প্রভুত পরিমাণে বিদেশী সহায়তা গ্রহণ করে শিশু মৃত্যুর হার ওই দেশেগুলোতেই সবচেয়ে বেশি হ্রাস পেয়েছে।

গত বছর বিশ্বব্যাপী ৫ বছরের কম বয়সী অর্ধেক শিশুর মৃত্যু হয়েছে মাত্র পাঁচটি দেশে। এই দেশগুলো হলো - ভারত, নাইজেরিয়া, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, পাকিস্তান ও চীন।

বিশ্বব্যাপী ৫ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর প্রধান কারণ পাঁচটি। এরমধ্যে নিউমোনিয়ায় মারা যায় ১৮ শতাংশ, অপরিণত - শিশুজন্ম জনিত জটিলতায় মারা যায় ১৪ শতাংশ, ডায়রিয়ায় ১১ শতাংশ, প্রসব জটিলতায় ৯ শতাংশ ও ম্যালেরিয়ায় ৭ শতাংশ শিশু মারা যায়।

জব সলুশন

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - টেকনিশিয়ান হেলপার (17-01-2026)

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন