.প্রথম আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশ দলের আধিনায়ক কে ছিলেন?
Related Questions
১৯৫৯ সালে বগুড়ায় তেল অনুসন্ধানে খনন চালানোর সময় প্রথম বাংলাদেশে ভূ-গর্ভস্থ কয়লা সম্পদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়। তারপর ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়ায় আবিষ্কৃত হয় কয়লা। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে রংপুরের খালাশপীরে আবিষ্কৃত হয় আরেকটি কয়লাক্ষেত্র। এ পর্যন্ত বাংলাদেশে আবিষ্কৃত কয়লাক্ষেত্রগুলোর মধ্যে বড়পুকুরিয়ার কয়লাই ভূপৃষ্ঠের স্বল্প গভীরতায় অবস্থিত। বর্তমানে এখান থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে।
'পাকা' শব্দটি সাধারণত পক্ক, শুভ্র বা শুক্ল, স্থায়ী, নিপুণ, সম্পূর্ণ , খাঁটি ইত্যাদি হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়। এখানে পক্ক অর্থ বোঝানো হচ্ছে 'পাকা আম' দ্বারা । অন্যদিকে পাকা বাড়ি বলতে ইটের তৈরি বাড়ি , পাকা রং বলতে স্থায়ী রং এবং পাকা কাজ বলতে নিপুণতার সাথে কৃতকাজকে বোঝানো হয়েছে।
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যে সাথে এক বা একাধিক আশ্রিতবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয় ,তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে ।
যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি , যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবুও ,যেহেতু-সেহেতু ,যত-তত ,যেমন-তেমন ,যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষে যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে ,তাকে জটিল বাক্য বলে।
সাধারণ মিশ্র বাক্য যেমন হয়ঃ
১: মিশ্র বাক্যে একের বেশি স্বাধীন খণ্ড বাক্য থাকবে।
২: মিশ্র বাক্যে অন্তত একটি অধীন খণ্ডবাক্য থাকবে।
৩: জটিল+জটিল, জটিল+সরল, জটিল+যৌগিক এই তিন ভাবে (অথবা উল্টো দিক থেকে) মিশ্র বাক্য হতে পারে।
এ ছাড়া যৌগিক+সরল/সরল+যৌগিক বাক্যেও মিশ্র বাক্য হতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে একটি বাক্যকে অপ্রধান খণ্ডবাক্যের ভূমিকা পালন করতে হবে।
যেমন: রাম এসেছিল এবং শ্যাম এসেছিল, সে কথা তারা আমাকে জানায়নি। (যৌগিক+সরল)
এখানে যৌগিক বাক্যটি একটি অপ্রধান খণ্ডবাক্যের মত কাজ করছে।
লাঠালাঠি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।
ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়। এ সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং উত্তর পদে 'ই' যুক্ত হয়। যেমন: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি, লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই = লাঠালাঠি।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে বলা হয় খাঁটি বাংলা উপসর্গ। বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা ২১ টি । উপসর্গগুলো হলো : অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড় , আন, আব, ইতি, উন (ঊনা), কদ, কু,নি, পাতি, বি, ভর, রাম , স,সা,সু,হা । যেসব উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। সংস্কৃত উপসর্গ প্রধানত ২০ টি । যথা: প্র, পরা, অপ, সম্, নি, অনু, অব, নির , দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ। আরবি, ফারসি , ইংরেজি , হিন্দি - এসব ভাষার বহু শব্দ বহুকাল ধরে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আছে। এসব উপসর্গকে বিদেশি উপসর্গ নামে অভিহিত করা হয়। বিদেশি উপসর্গের মধ্যে কতকগুলো ফারসি ও ইংরেজি উপসর্গ বাংলায় বহুল প্রচিলত।
জব সলুশন