চট্টগ্রাম- কক্সবাজার সাবমেরিন কেবলস অপটিকাল ফাইবার স্থাপন করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে কত দূরত্বের ব্যয় বহন করতে হবে?
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন]
১. তারিখ ও স্থান: ২৭ মার্চ ২০০৪, দুবাই।
২. চুক্তির বিষয়: সাবমেরিন ক্যাবলের নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ।
৩. কনসোর্টিয়াম: SEA-ME-WE-4 (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য পশ্চিম ইউরোপ -৪)।
৪. অংশগ্রহণকারী: ১৪টি দেশের ১৬টি টেলিকম প্রতিষ্ঠান।
৫. সাবমেরিন ক্যাবলের দৈর্ঘ্য:
- মোট: ২২,০০০ কিলোমিটার (ফ্রান্সের মার্সাই থেকে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত)
- বাংলাদেশ অংশ: ১,২৪০ কিলোমিটার
৬. বাংলাদেশে সংযোগ স্থান: কক্সবাজার।
৭. অভ্যন্তরীণ সংযোগ:
- ঢাকা-চট্টগ্রাম: আগে থেকেই ফাইবার অপটিক ক্যাবল সংযোগ ছিল।
- চট্টগ্রাম-কক্সবাজার: ১৭০ কিমি নতুন অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করা হয়।
৮. উদ্বোধনের তারিখ: ২১ মে ২০০৬।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তির নেটওয়ার্কের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়, যা দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
Related Questions
'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক। তার অন্যান্য গরুত্বপূর্ণ শিল্পকর্ম হচ্ছে মতিঝিল বিমান অফিসের সামনের 'বলাকা' এবং রাজশাহী বিদ্যালয়ের 'গোল্ডেন জুবিলি টাওয়ার'।
লেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (MDG) অর্জনের সময়সীমা ছিল ২০১৫ সাল।
বাংলাদেশের ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত। বর্তমানে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ ডিসেম্বর ,১৯৭৩ সালে মোট ৬৭৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব প্রদান করা হয় । এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন ,বীর উত্তম ৬৮ জন ,বীর বিক্রম ১৭৫ জন ও বীর প্রতীক ৪২৬ জন ।
বর্তমানে খেতাবগুলো হলো:
বীরপ্রতীক- ৪২৪ জন
বীরবিক্রম- ১৭৪ জন
বীরউত্তম- ৬৭ জন মুক্তিযোদ্ধা (মোট ৬৮ জন)
বীরশ্রেষ্ঠ- ০৭ জন
মোট খেতাবধারী- ৬৭২ জন মুক্তিযোদ্ধা (মোট ৬৭৩ জন)
গত ৭ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মম হত্যাকান্ডের চার আসামীর খেতাব বাতিল করে।
তারা হলেন: লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম), লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক), নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)
সেপ্টেম্বর ২০০৫ সালের ইউএনডিপি (UNDP) রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১৭৭০ মার্কিন ডলার (ক্রয়ক্ষমতা সমতা বা PPP-এর ভিত্তিতে)।
সংবিধানের ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গনজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন” বলা আছে
জব সলুশন