কোন বাক্যে নাম পুরুষের ব্যবহার করা হয়েছে?
নামপুরুষ : বাক্যে বক্তা অনুপস্থিত যেসব ব্যক্তি, বস্ত্ত বা প্রাণীর উল্লেখ করেন, তাদের নামপুরুষ বলে। অর্থাৎ, বক্তার সামনে নেই এমন যা কিছুর কথা বক্তা বাক্যে বলেন, সবগুলোই নামপুরুষ। নাম পুরুষের সর্বনামের রূপ হলো - সে, তারা, তাহারা, তাদের, তাহাকে, তিনি, তাঁকে, তাঁরা, তাঁদের, ইত্যাদি।
Related Questions
'বন্যেরা বনে সুন্দর , শিশুরা মাতৃক্রোড়ে ' এ উক্তিটির প্রকৃত তাৎপর্য হচ্ছে - -
জীবনমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
ধূসর পান্ডুলিপি কবি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ) ভারতে প্রকাশিত হয়। জীবনানন্দ এই বইটি কবি বুদ্ধদেব বসুকে উৎসর্গ করেন।
সমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের (মনোভাব) সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন, ছেলেরা বল খেলছে। এ বাক্যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। অসমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের পরিসমাপ্তি ঘটে না। বক্তার আরো কিছু বলার থাকে তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১৮৮০ - ১৯৩১) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক ও কবি। তিনি ১৯ ও ২০ শতকে বাঙালি মুসলিম পুনর্জাগরণের প্রবক্তাদের একজন। তিনি মুসলিমদের জন্যে বিজ্ঞানসাধনা, মাতৃভাষাচর্চা, নারীদের শিক্ষা এসবের পক্ষে লেখালেখি করেন। তার অনল - প্রবাহ কাব্যগ্রন্থটি সরকার বাজেয়াপ্ত করে এবং তিনি কারাবন্দী হন।
‘জিঞ্জির’ (১৯২৮) কাজী নজরুল ইসলামের জীবনীমূলক বিদ্রোহী কাব্য। ‘সাত সাগরের মাঝি’ (১৯৪৪) ফররুখ আহমদের ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্বলিত কাব্য। ‘দিলরুবা’ (১৯৩৩) আবদুল কাদির রচিত প্রেমপ্রধান কবিতা এবং ‘নূরনামা’ আবদুল হাকিমের বাংলা ভাষার গুণকীর্তনমূলক কাব্য।
০১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম - ১৮৬১ সালে । ০২। কোন সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম - শতবার্ষিকী পালিত হয় - ১৯৬১সালে । ০৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন - ১৮৮০সালে । ০৪। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম - বৌঠাকুরানির হাট । ০৫। ভানুসিংহ কার ছদ্মনাম - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।
জব সলুশন