”বড়র পীরিতি বালির বাঁধ” বাগধারাটির সঠিক অর্থ-
"বড়র পীরিতি বালির বাঁধ" বাগধারা বা প্রবাদটির সঠিক অর্থ হলো অস্থায়ী বা ক্ষণস্থায়ী ভালোবাসা। এটি সাধারণত বড় বা ধনী ব্যক্তিদের সেই ভালোবাসাকে নির্দেশ করে, যা বালির বাঁধের মতো খুব দ্রুত ভেঙে যায় বা বিশ্বাসযোগ্য হয় না। এর সম্পূর্ণ প্রবাদটি হলো "বড়র পীরিতি বালির বাঁধ, ক্ষণে হাতে দড়ি ক্ষণে চাঁদ"
Related Questions
সাক্ষী গোপাল বাগধারাটির অর্থ নিষ্ক্রিয় দর্শক বা যার কোন ভূমিকা নেই।
'সাহচর্য' শব্দের শুদ্ধ গঠন বা প্রকৃতি-প্রত্যয় হলো: সহচর + য (বা ষ্ণ্য)। নিয়ম:
'সহচর' (মূল শব্দ) + 'য' প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে।
সেই অনুযায়ী, 'অ' (স-এর স্বর) পরিবর্তিত হয়ে 'আ' হয় এবং চ-এর সাথে 'য' যুক্ত হয়ে ফলা হয়।
এর ফলে শব্দটি গঠিত হয়: স+অ (আ) + হ + চ + র + ্য = সাহচর্য।
"নিরাময়" শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো নিঃ + আময়। এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে সাধিত একটি শব্দ।
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী:
বিসর্গ (ঃ) এর পর ‘অ’ বা ‘আ’ থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে ‘র’ (রেফ) এবং পরবর্তী ‘অ’ বা ‘আ’ মিলে ‘আ’ কার (া) হয়।
যেমন: নিঃ + আময় = নিরাময়।
জগতে কীর্তিমান হও সাধনায়—বাক্যে "সাধনায়" শব্দটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
যেহেতু সাধনার মাধ্যমে বা উপায়ে কীর্তিমান হওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাই এটি করণ কারক (যার দ্বারা কাজটি সম্পন্ন হয়)। শব্দটির শেষে 'অ' বা 'আ' এর সাথে 'য়' যুক্ত থাকায় এটি ৭মী বিভক্তি।
“তিনি ব্যাকরণে পণ্ডিত” -বাক্যে “ব্যাকরণে” শব্দটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী (৭মী) বিভক্তি।
যেহেতু ব্যাকরণে তার দক্ষতা বা বিষয় বোঝানো হয়েছে, তাই এটি বিষয় অধিকরণ এবং শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: নীল যে অম্বর - নীলাম্বর।
জব সলুশন