মানুষের রক্তে কত ধরনের কণিকা আছে?
মানুষের শরীরের রক্তকণিকা মূলত তিন প্রকার: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা। এর মধ্যে শ্বেত রক্তকণিকা আবার পাঁচ ধরনের হয়। রক্তকণিকাগুলোর বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
১. লোহিত রক্তকণিকা (Erythrocytes): এটি রক্তের সবচেয়ে প্রধান ও বেশি পরিমাণে থাকা কণিকা, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
২. অণুচক্রিকা (Thrombocytes): রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং শরীরের কোথাও কেটে গেলে রক্তপাত বন্ধ করতে ভূমিকা রাখে।
৩. শ্বেত রক্তকণিকা (Leucocytes): রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এগুলো প্রধানত পাঁচ ধরনের হয়:
নিউট্রোফিল (Neutrophils): ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে।
লিম্ফোসাইট (Lymphocytes): অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং ভাইরাস ধ্বংস করে।
মনোসাইট (Monocytes): মৃত কোষ ও জীবাণু ভক্ষণ করে।
ইওসিনোফিল (Eosiniphils): অ্যালার্জি ও পরজীবীর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
বেসোফিল (Basophils): প্রদাহ ও অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় কাজ করে
Related Questions
ইউনিক্স (UNIX) একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম, যা ১৯৬৯ সালে উদ্ভাবিত হয়।
- এই অপারেটিং সিস্টেমটি তৈরির কৃতিত্ব বেল ল্যাবরেটরিজ (Bell Labs) নামক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের।
- বেল ল্যাবের বিখ্যাত কম্পিউটার বিজ্ঞানী ডেনিস রিচি, কেন থম্পসন এবং তাঁদের সহকর্মীরা এটি তৈরি করেন।
- ইউনিক্স মূলত মেইনফ্রেম এবং মিনি কম্পিউটারের জন্য ডিজাইন করা হলেও, বর্তমানে এটি সুপারকম্পিউটার থেকে শুরু করে মাইক্রোকম্পিউটার পর্যন্ত সর্বক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি মাল্টি-টাস্কিং এবং মাল্টি-ইউজার অপারেটিং সিস্টেম, যা একসাথে অনেক কাজ এবং ব্যবহারকারীকে পরিচালনা করতে সক্ষম।
- আধুনিক অনেক অপারেটিং সিস্টেম, যেমন- লিনাক্স (Linux) এবং অ্যাপলের ম্যাকওএস (macOS), এই ইউনিক্সের ধারণার উপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে।
রংধনুতে হলুদ রঙের পাশের দুটি রঙ হলো সবুজ এবং কমলা。রংধনুর সাতটি রঙের ক্রমানুসারে (বেনীআসহকলা) হলুদ রঙের একপাশে সবুজ এবং অন্যপাশে কমলা অবস্থান করে।
কলের পানিতে বিশুদ্ধকরণের জন্য প্রধানত ক্লোরিন মেশানো হয়。 এছাড়া প্রাকৃতিকভাবে এতে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, সোডিয়ামের মতো খনিজ এবং দাঁতের সুরক্ষায় ফ্লোরাইড থাকতে পারে। পুরানো পাইপের কারণে এতে সিসা বা অন্যান্য ধাতুর মিশ্রণও পাওয়া যেতে পারে。
লের একককে সরণের একক দিয়ে গুণ করলে কাজের একক পাওয়া যায়।
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N) এবং সরণর একক হচ্ছে (m)।
- অতএব, কাজের একক হবে নিউটন মিটার (Nm)। নিউটন মিটারকে জুল (J)বলা হয়।
- এটি কাজের আন্তর্জাতিক একক।
- কোন বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগ করা হলে যদি বস্তুটি বলের দিকে এক মিটার সরণের সৃষ্টি হয় তবে সম্পন্ন কাজ হবে এক জুল।
পৃথিবীর মেরু অঞ্চলে (Pole) বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়。 কারণ মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম, যার ফলে সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণের (\(g\)) মান সবচেয়ে বেশি থাকে। বস্তুর ওজন নির্ভর করে তার ভর (\(m\)) এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের (\(g\)) ওপর (সূত্র: W = mg
সৌরশক্তি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি ।সৌরশক্তিকে আজকাল নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম ভাণ্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয় । সৌরশক্তি ব্যবহারের প্রযুক্তি হল সৌরকোষ ।
জব সলুশন