কোনো স্থানে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে সেখানে একটি সরল দোলকের দোলনকাল কতগুণ বাড়বে বা কমবে?
সরল দোলকের দোলনকালের সূত্র হল:
T = 2π√(l/g)
যেখানে,
T হল দোলনকাল
l হল দোলকের দৈর্ঘ্য
g হল মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ
যদি মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ 9 গুণ বাড়ে, তাহলে সূত্রটি হবে:
T' = 2π√(l/9g)
T' = T/3
সুতরাং, দোলনকাল 3 গুণ কমে যাবে
Related Questions
উচ্চ পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে; কারণ উচ্চ পর্বত চূড়ায় বায়ুর চাপ কম থাকে। ভূপৃষ্ঠ থেকে যত উপরে যাওয়া যায়, বায়ুমণ্ডলের চাপ তত কমতে থাকে। এই কম বায়ুর চাপের কারণে শরীরের ভেতরের রক্তনালীগুলোর ভেতরের চাপ বাইরের বায়ুমণ্ডলের চাপের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। এর ফলে নাকের ভেতরের পাতলা ও সংবেদনশীল রক্তনালীগুলো ফেটে গিয়ে রক্তপাত হতে পারে। এছাড়া, বেশি উচ্চতার ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস নাককে শুকিয়ে দেয়, যা রক্তপাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।
কোবাল্ট একটি শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ। এটি লোহা এবং নিকেলের মতো ফেরোম্যাগনেটিক (ferromagnetic) বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে, অর্থাৎ এটি চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয় এবং নিজে চুম্বকে পরিণত হতে পারে।
মৌলিক অধাতু ব্রোমিন সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে। মৌলিক ধাতু পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে।
- একজন সাধারণ মানুষের দেহে ২০৬ টি অস্থি থাকে।
- তবে একটি শিশু যখন জন্ম নেয় তখন তার দেহে ২৭০ থেকে ৩৫০ টি অস্থি থাকে।
- মানবদেহের ২০৬ টি অস্থির সংখ্যাবিন্যাস-করোটিতে ২২টি, মেরুদণ্ডে ৩৩টি, কাঁধে ৪টি, বক্ষপিঞ্জরে ২৪টি, উরু ফলক ১টি, দুই ঊর্ধ্ব বাহুতে ৬০টি, শ্রোণীচক্রে ২টি, দুই পায়ে ৬০টি, মোট ২০৬টি।
- অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি।
- অস্থিতে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ পানি থাকে
- অস্থির বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন।
- শিশিরের ক্ষুদ্র ফোঁটা গড়িয়ে পড়েছে দিঘির অগাধ জলে।
- এই সামান্য শিশির-ফোটাকে শৈবাল দিঘির প্রতি তার মহৎ দান বলে গণ্য করছে।
- অথচ দিঘির বিশাল জলরাশির কাছে এক ফোঁটা শিশির অতি তুচ্ছ।
- দিঘির জলেই যার অস্তিত্ব, সেই দিঘির প্রতি শৈবালের এমন দম্ভোক্তি সত্যি হীনম্মন্যতার পরিচায়ক। উক্তিটির মাধ্যমে 'অকৃতজ্ঞতা' প্রকাশ পেয়েছে।
পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসের পটভূমি বাংলাদেশের বিক্রমপুর - ফরিদপুর অঞ্চল। এই উপন্যাসের দেবীগঞ্জ ও আমিনবাড়ি পদ্মার তীরবর্তী গ্রাম। উপন্যাসে পদ্মার তীর সংলগ্ন কেতুপুর ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের পদ্মার মাঝি ও জেলেদের বিশ্বস্ত জীবনালেখ্য চিত্রিত হয়েছে। পদ্মা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী। এর ভাঙন প্রবণতা ও প্রলয়ংকরী স্বভাবের কারণে একে বলা হয় 'কীর্তিনাশা' বা রাক্ষুসী পদ্মা। এ নদীর তীরের নির্দিষ্ট কোন সীমারেখা নেই। শহর থেকে দূরে এ নদী এলাকার কয়েকটি গ্রামের দীন - দরিদ্র জেলে ও মাঝিদের জীবনচিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে। জেলেপাড়ারর মাঝি ও জেলেদের জীবনের সুখ - দুঃখ, হাসি - কান্না - অভাব - অভিযোগ - যা কিনা প্রকৃতিগতভাবে সেই জীবনধারায় অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ তা এখানে বিশ্বস্ততার সাথে চিত্রিত হয়েছে। তাদের প্রতিটি দিন কাটে দীনহীন অসহায় আর ক্ষুধা - দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে - পরে বেঁচে থাকাটাই যেন তাদের জীবনের পরম আরাধ্য। এটুকু পেলেই তারা খুশি।
জব সলুশন