”দ্যুলোক” শব্দের যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
”দ্যুলোক” শব্দের যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে দিব্ + লোক।
নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি 'দ্যুলোক' এর যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ হল : দিব্ + লোক। আরো কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি হল : এক্ + দশ = একাদশ, ষট্ + দশ = ষোড়শ, মনস্ + ঈশা = মনীষা, বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি, গো + পদ = গোষ্পদ, দিব্ + লোক = দ্যুলোক, বন্ + পতি = বনস্পতি, পর্ + পর = পরস্পর, আ + চর্য = আশ্চর্য, তৎ + কর = তস্কর
Related Questions
”উচাটন”-এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রশান্ত।
বিশ্লেষণ:
উচাটন শব্দের অর্থ: অস্থির, উৎকণ্ঠিত বা চঞ্চল।
প্রশান্ত শব্দের অর্থ: শান্ত, ধীরস্থির বা নিস্তরঙ্গ।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: প্রশান্ত (অপশন B)।
সঠিক উত্তরটি হলো: কর্মে ৭মী।
ব্যাখ্যা:
১. কারক নির্ণয়: বাক্যটির ক্রিয়াপদ হলো 'ত্যাগ কর'। ক্রিয়াপদকে 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্ম কারক (যদি স্বত্ব ত্যাগ করে দান না বোঝায়)।
প্রশ্ন: কাকে ত্যাগ কর?
উত্তর: গুণহীনে (গুণহীন ব্যক্তিকে)।
সুতরাং, এটি কর্ম কারক।
২. বিভক্তি নির্ণয়: মূল শব্দ 'গুণহীন'-এর সঙ্গে 'এ' (গুণহীন + এ = গুণহীনে) বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'এ' হলো ৭মী বিভক্তি।
তাই, 'গুণহীনে' পদটি কর্মে ৭মী বিভক্তি।
”অক্টোপাস” উপন্যাসের লেখক শামসুর রাহমান।
তার মোট ৪টি উপন্যাস রয়েছে। উপন্যাস - ৪টি হলো: ‘অক্টোপাস’ (১৯৮৩), ’অদ্ভুত আঁধার এক’ (১৯৮৫), ‘নিয়ত মন্তাজ’ (১৯৮৫), ‘এলো সে অবেলায়’ (১৯৯৪)।
”প্রকৃতি” বলতে শব্দ ও ধাতুর মূল বুঝায় ।
প্রকৃতি মূলত দুই প্রকার। যথা : নাম প্রকৃতি ও ক্রিয়া প্রকৃতি।
”মহা পৃথিবী” কাব্যগ্রন্থ জীবনানন্দ দাশের লেখা।
জীবনানন্দ দাশ (১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ - ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪; ৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ - ৫ কার্তিক, ১৩৬১ বঙ্গাব্দ) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যময় নিসর্গ ও রূপকথা - পুরাণের জগৎ জীবনানন্দের কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়, তাতে তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ অভিধায় খ্যাত হয়েছেন। জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মাঝে রয়েছে রূপসী বাংলা, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, বেলা অবেলা কালবেলা, শ্রেষ্ঠ কবিতা ইত্যাদি।
জব সলুশন