”এমন ছেলে আর দেখিনি” বাক্যে ”ছেলে” শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
”এমন ছেলে আর দেখিনি” বাক্যে ”ছেলে” শব্দটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্ম কারক বলে।
ক্রিয়ার সঙ্গে 'কী' বা 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা - ই কর্ম কারক।
যেমন: ডাক্তার ডাক। তাকে বলো। ইত্যাদি।
Related Questions
কানপাতলা বাগধারাটির অর্থ হলো বিশ্বাসপ্রবণ বা অপরে লাগানি-ভাঙ্গানিতে আস্থা স্থাপনকারী।
আশীবিষ” শব্দের অর্থ হলো সাপের বিষ।
বাংলা ভাষায় আশী মানে সাপ, আর বিষ মানে বিষ/জহর। তাই “আশীবিষ” বলতে বোঝায় সাপের বিষ, যা ভুজঙ্গ (সাপ) সম্পর্কিত।
উত্তর: ভুজঙ্গ (A)
'ব্যাকরণ' শব্দটি হলো সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ।
ব্যাকরণ শব্দের গঠন ও অর্থ:
ব্যুৎপত্তিগত বিশ্লেষণ: বি + আ + কৃ + অন।
আক্ষরিক অর্থ: বিশেষভাবে বা সম্যকরূপে বিশ্লেষণ
”ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ” সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচনা করেন।
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (জন্ম : ২৬শে নভেম্বর, ১৮৯০— মৃত্যু : ২৯শে মে, ১৯৭৭) একজন বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।
অধ্যাপক তারাপুরওয়ালা'র কাছে আবেস্তা অধ্যয়ন করেন। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কে ৩ খণ্ডের দি অরিজিন এন্ড ডেভেলপম্যান্ট অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ গ্রন্থখানি রচনা করে অসাধারণ বিদ্যাবত্তার পরিচয় প্রদান করেন।
অন্যান্য রচনাবলি হলো: বেঙ্গলি ফোনেটিক রিডার, কিরাত জনকৃতি, ভারত - সংস্কৃতি(১৯৪৪), বাঙ্গালা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা(১৯২৯), পশ্চিমের যাত্রী(১৯৩৮), ইউরোপ ভ্রমণ, জাতি সংস্কৃতি সাহিত্য(১৯৩৮), ভারতের ভাষা ও ভাষা সমস্যা(১৯৪৪), সংস্কৃতি কী, দ্বীপময় ভারত(১৯৬৫), রবীন্দ্র সঙ্গমে(১৯৬৫), শ্যামদেশ(১৯৬৫) ইত্যাদি।
”সন্ধ্যা” শব্দের বিশেষণটি হচ্ছে সান্ধ্য।
বাংলা ব্যাকরণ মতে– বাক্যে ব্যবহৃত যে প্রকার পদ বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদকে বিশেষিত করে, তাকেই বিশেষণ বলে।
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'না' হলো মূলত একটি অব্যয় পদ।বাক্যে ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে এটি সাধারণত দুটি অর্থে ব্যবহৃত হয়:না-বোধক অব্যয়: অস্বীকৃতি বা নিষেধ বোঝাতে (যেমন: আমি যাব না)।প্রশ্নবোধক অব্যয়: বাক্যের শেষে বসে প্রশ্ন করতে (যেমন: তুমি খাবে না
জব সলুশন