'ডাক্তার ডাক ' বাক্যটিতে 'ডাক্তার' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
⇒ ‘কাকে’ ডাকতে হবে? উত্তর হলো— ‘ডাক্তার’কে। যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া (ডাকা) সম্পাদিত হয়, তাকে কর্ম কারক বলে।
⇒ এখানে ‘ডাক্তার’ শব্দটি কর্মপদ।
⇒ ‘ডাক্তার’ শব্দের শেষে অতিরিক্ত কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: -কে, -রে, -এর) যুক্ত নেই। মূল শব্দটিই বসেছে।
⇒ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দে কোনো বিভক্তি স্পষ্ট না থাকলে সেখানে ‘শূন্য বিভক্তি’ বা ‘প্রথমা বিভক্তি’ ধরা হয়।
⇒ সুতরাং, এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।
Related Questions
বার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি' – বাক্যটি পুরাঘটিত বর্তমান কালের। যে ক্রিয়াটি সবেমাত্র শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফলাফল বা রেশ এখনও বর্তমান, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে।
কপোল' শব্দের প্রধান প্রতিশব্দ হলো গাল
'রাবণের চিতা' বাগধারাটির অর্থ হলো চির অশান্তি বা সর্বদাই জ্বলতে থাকা দুঃখ-কষ্ট l হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী রামায়ণ অনুসারে, লঙ্কার রাজা রাবণ রামের হাতে নিহত হওয়ার পর তার শবদাহ করা হয়েছিল। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, রাবণের সেই চিতার আগুন আর কখনো নেভেনি। সেই চিরকাল জ্বলতে থাকা আগুনের উপমা থেকেই এই বাগধারাটির জন্ম, যা মানুষের জীবনের এমন কোনো দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ বা অশান্তিকে বোঝায় যা সহজে দূর হয় না।
সঠিক উত্তর বেতার। বহুব্রীহি সমাসের ব্যাখ্যার জন্য ব্যবহৃত বাক্যাংশের কোনো অংশ যদি সমস্তপদে লোপ পায়, তবে তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি বলে। যেমন: বিড়ালের চোখের ন্যায় চোখ যে নারীর = বিড়ালচোখী, হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি , মেনিমুখো । বিশেষ্য পূর্বপদের আগে নঞ্ (না অর্থবোধক) অব্যয় যোগ করে বহুব্রীহি সমাস কিরা হলে তাকে নঞ্ বহুব্রীহি বলে। যেমন: বে (নাই) তার = বেতার
ঔ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনির চিহ্ন বা প্রতীক। বাংলায় 'ঐ' এবং 'ঔ'—এই দুটিকে যৌগিক স্বরধ্বনি (বা দ্বিস্বর) বলা হয়। 'ঔ' মূলত দুটি স্বরধ্বনির মিলনে গঠিত হয়, যেমন: অ + উ।
সঠিক উত্তর বুদ্ধিজীবী l শুদ্ধ বানান হলো বুদ্ধিজীবী । এইরূপ আরো কিছু শুদ্ধ বানান : অশরীরী, অশীতিতম, অশ্বত্থ, অসমীচীন, অসূয়া, অসূর্যম্পশ্যা, অহ্ন, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া।
জব সলুশন