তিনবিঘা করিডোর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
তিন বিঘা করিডোর তিস্তা নদীর তীরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গোরপোতা ছিটমহলের সাথে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সংযোগ স্থাপনকারী একটি রাস্তা বা করিডোর।
Related Questions
গ্রামীণ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে ২ অক্টোবর, ১৯৮৩ সালে।
- সম্রাট আকবর বাংলা নববর্ষ ‘পহেলা বৈশাখ চালু করেন।
- ফসল কাটার মৌসুমে খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য বাংলা সন চালু করা হয়।
- সম্রাট আকবরের উপদেষ্টা আমীর ফতেউল্লাহ সিরাজী বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- বাংলা সন চালু করার ব্যাপারে সম্রাট আকবর ১৫৮৪ সালে নির্দেশনা জারি করেন।
- তবে এর কার্যকারিতা দেখানো হয় ১৫৫৬ থেকে। কারণ ঐদিনটি ছিল আকবরের সিংহাসন আরোহণের তারিখ।
- জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দুই হাত প্রসারিত করে বুক টান করে দাঁড়ানো এক নির্ভীক প্রতিবাদী তরুণ হচ্ছেন শহীদ আবু সাঈদ।
- তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী বিপুল রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের উজ্জ্বলতম প্রতীক।
- ইতিহাসের অম্লান এই তরুণকে শিল্পকলায় অভিষিক্ত করেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পী শহীদ কবির।
- কাজটি করার জন্য শহীদ কবির সহায়তা নেন তাঁর অনেক দিনের সহযোগী তরুণ শিল্পী ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভের (ইউডা) চারুকলার শিক্ষক ঢালী তমালকে।
- কাজটি শুরু হয় লালমাটিয়ার কিবরিয়া প্রিন্ট মেকিং স্টুডিওতে।
- তমাল ও তাঁর শিক্ষার্থীরা মিলে শহীদ কবিরের নেতৃত্বে চলে এই বিপুল কর্মযজ্ঞ।
- শিল্পকর্মটির নাম ‘উন্নত মম শির’ ।
ড. মুহাম্মদ ইউনুস ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পান।
তিনি ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প হলো তৈরি পোশাক শিল্প (RMG - Ready-Made Garments)।
- ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, এই খাত দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪% অবদান রাখে।
- বাংলাদেশ বিশ্বে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়।
- সস্তা শ্রম, দক্ষ কর্মশক্তি এবং আন্তর্জাতিক মানের পণ্য উৎপাদনের কারণে এই খাতটি বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে বিবেচিত।
- এটি লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, বিশেষত নারীদের জন্য, এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিস্তা বাঁধ স্থাপিত হয়েছে ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দে তিস্তা নদীর বাংলাদেশ অংশে। লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার গাডিমারী ইউনিয়নের দোয়ানী গ্রামে ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে এই বাঁধ নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৯০-এ মূল বাঁধ নির্মাণ কার্যক্রম শেষ হয়, অন্যান্য কাজ বাকী থাকে। ৬১৫ দশমিক ২৪ মিটার দীর্ঘ এই বাধেঁর উদ্দেশ্য ছিল ৬ লাখ কিউসেক পরিমাণ পানি শুষ্ক মৌসুমে সেচের জন্য বিভিন্নখাতে প্রবাহিত করা। ৭টি জেলার ৩৫টি উপজেলার ১৩ লাখ ৩৫ হাজার একর জমি সেচের আওতায় এনে ফসল ফলানের লক্ষ্যে ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বৃহৎ তিস্তা প্রকল্পের আওতায় তিস্তা বাঁধ নির্মাণের সূত্রপাত করে।
জব সলুশন