"সব ঝিনুকে মুক্তা মেলে না" এই বাক্যে ঝিনুকে শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
"সব ঝিনুকে মুক্তা মেলে না"— এই বাক্যে 'ঝিনুকে' শব্দটি অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি lঅপাদান কারক: যা থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত বা ভীত হয়, অথবা যা থেকে কোনো কিছু বিচ্যুত বা গৃহীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। ঝিনুক থেকে মুক্তা পাওয়া যায় বা গৃহীত হয়, তাই 'ঝিনুকে' অপাদান কারক। সপ্তমী বিভক্তি: 'ঝিনুক' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণে অ, এ, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছ শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে সপ্তমী বিভক্তি গঠিত হয়
Related Questions
সঠিক উত্তর গামছা
শব্দের মধ্যস্থ স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে মধ্যস্বরলোপ বলে । নাতিনী>নাতনী, ভগিনি>ভগ্নি, জানালা>জানলা, গামোছা>গামছা, বসতি>বস্তি, কলিকাতা>কলকাতা, ডাকাইত>ডাকাত, সুবর্ণ>সর্ণ, তৈয়ারি>তৈরি ইত্যাদি ।
যে জ্যোতির স্থায়িত্ব কম বা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না, তাকে এক কথায় ক্ষণপ্রভা (বা ক্ষণদ্যুতি) বলা হয়。 এটি সাধারণত বিদ্যুৎ বা বিজলির মতো ক্ষণস্থায়ী আলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে
"আমার যাওয়া হবে না" বাক্যটি ভাববাচ্যের একটি অন্যতম প্রধান উদাহরণ। ভাববাচ্যে সাধারণত কর্তার চেয়ে কাজের ধরন বা ক্রিয়াপদের অর্থ বেশি প্রাধান্য পায়। ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী ভাববাচ্যের মূল বৈশিষ্ট্যগুলি নিচে দেওয়া হলো:
কর্তার অবস্থান: এক্ষেত্রে কর্তা বা কর্মে বিভক্তি (যেমন- র, এর) যোগ হয়, যা কর্তার চেয়ে ক্রিয়ার ভাবের ওপর জোর দেয়।
ক্রিয়ার রূপ: ক্রিয়াপদটি সাধারণত প্রথম পুরুষের নামপুরুষে পরিণত হয় এবং অকর্মক ক্রিয়ার ব্যবহার বেশি দেখা যায়।
Subconscious শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ অবচেতন বা যেসব মানসিক ক্রিয়া - কলাপ সম্বন্ধে মানুষ (পুরোপুরি) সচেতন থাকে না।
'শ্বশ্রূ' শব্দের অর্থ হলো শাশুড়ি (স্বামী বা স্ত্রীর মা)। 'শ্মশ্রু' (তালব্য শ-এর নিচে ম-ফলা) শব্দের অর্থ হলো দাড়ি-গোঁফ। বানানের সামান্য পার্থক্যের কারণে এদের অর্থে বিস্তর ফারাক রয়েছে
জব সলুশন