বাংলা সাহিত্যে কাকে ছন্দের জাদুকর বলা হয় ?
- বাংলা সাহিত্যের ছন্দের যাদুকর বলা হয় সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে।
- ছন্দের ঝংকারে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কবিতা সমৃদ্ধ হতো বলে তাকে 'ছন্দের রাজা' ও 'ছন্দের জাদুকর "বাস্তববাদী কবি' অভিধায় বিশেষায়িত করা হয়।
- সত্যেন্দনাথ দত্তকে 'ছন্দের জাদুকর' উপাধি প্রদান করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ-
- সবিতা (১৯০০)
- সন্ধিক্ষণ (১৯০৫)
- বেণু ও বীণা (১৯০৬)
- হোমশিখা (১৯০৭)
- ফুলের ফসল (১৯১১)
- কুহু ও কেকা (১৯১২)
- তুলির লিখন (১৯১৪)
- মনিমঞ্জুষা (১৯১৫) ইত্যাদি।
Related Questions
কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত বাঁশখালী নদীর তীরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী। দ্বীপটির প্রধান আকর্ষণ শুঁটকি মাছ ও মিঠা পানি। এ দ্বীপের পাহাড়ের ওপর অবস্থিত আদিনাথ মন্দিরকে ঘিরে গড়ে উঠেছে পর্যটনকেন্দ্র।
ওয়াটার লু'র যুদ্ধ ১৮১৫ সালের ১৮ জুন বেলজিয়ামের ওয়াটার লু নামক স্থানে সংগঠিত হয়। ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এই যুদ্ধে দুইটি সম্মিলিত শক্তি, যথা - ডিউক অব ওয়েলিংটনের অধীন ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এবং গাবার্ড ভন বুচারের অধীন পার্শিয়ান সেনাবাহিনীর নিকট পরাজিত হন।
পাকিস্তান শাসনামলে ভূমি আইনের উপর গুরুত্বপূর্ণ ‘পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০’। আইনটি পূর্ব বাংলার আইনসভায় গৃহীত হয় ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫০ সালে এবং গভর্নর জেনারেলের সম্মতিক্রমে আইনে পরিণত হয় ১৬ মে ১৯৫০। এর ফলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (১৯৭৩) এবং বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন (১৮৮৫) বিলুপ্ত হয়। এই আইনের আওতায় সরকার দেশের একমাত্র জমিদারে পরিণত হয়।
হালদা নদী বাংলাদেশের পূর্বে পাহাড়ি অঞ্চলের খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলার একটি নদী। নদীটি পার্বত্য চট্টগ্রামের বাদনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবশ করেছে। এটি পৃথিবীর একমাত্র জোয়ার ভাটার নদী যেখানে রুই জাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে এবং নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
জব সলুশন