বহুব্রীহি সমাস কয় প্রকার ?

ক) তিন প্রকার
খ) আট প্রকার
গ) ছয় প্রকার
ঘ) দশ প্রকার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলা ব্যাকরণে যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। প্রথাগত নিয়ম অনুযায়ী বহুব্রীহি সমাস আট প্রকার। 

১. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি: পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হলে (যেমন: নীল কণ্ঠ যার = নীলকণ্ঠ)।
২. ব্যধিকরণ বহুব্রীহি: পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ই বিশেষ্য হলে (যেমন: বীণা পাণিতে যার = বীণাপাণি)।
৩. ব্যতিহার বহুব্রীহি: পরস্পর একজাতীয় কাজ বা ক্রিয়া বোঝালে (যেমন: লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি)।
৪. নঞ্ বহুব্রীহি: পূর্বপদ না-বোধক (নঞ্) অব্যয় হলে (যেমন: নাই জ্ঞান যার = অজ্ঞান)।
৫. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি: মাঝের পদের লোপ হলে (যেমন: চন্দ্রের মতো মুখ যে নারীর = চন্দ্রমুখী)।
৬. প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি: সমস্ত পদের শেষে আ, ঈ, ও ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হলে (যেমন: অধিক কথা বলে যে = কথাবৃত্ত)।
৭. অলুক বহুব্রীহি: সমাসবদ্ধ হওয়ার পরেও পূর্বপদের বিভক্তির লোপ না পেলে (যেমন: গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = গায়েহলুদ)।
৮. সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি: পূর্বপদ সংখ্যাবাচক শব্দ হলে (যেমন: দশ আনন যার = দশানন)। 

Related Questions

ক) মাখার দিব্যি
খ) মাথা ব্যথা
গ) মাথা খাওয়া
ঘ) মাথা ধরা
Note :

সঠিক উত্তর দিব্যি দেয়া

বাংলা ভাষায় এমন কতকগুলো বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়াপদ আছে যেগুলো ভিন্ন ভিন্ন অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। এসব শব্দের প্রত্যেকটি নিজস্ব আভিধানিক অর্থের অতিরিক্ত একাধিক বিশিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে। যেমন: ‘মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুলো না’ - এখানে ‘মাথা খাও’ দিব্যি দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

ক) বরেণ্য
খ) বীরপুরুষ
গ) বীর
ঘ) বরনীয়
Note :

বরণের যোগ্য যিনি— এই বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ হলো বরেণ্য

ক) উপাদান
খ) উপার্জন
গ) উপচার্য
ঘ) উপাধ্যক্ষ
Note :

'উপচার্য' শব্দটি অশুদ্ধ l এই শব্দের সঠিক বা শুদ্ধ বানানটি হলো 'উপাচার্য' অর্থ: সহকারী আচার্য 。 এটি (উপ + আচার্য) সন্ধি বা প্রত্যয়জাত একটি শব্দ l

ক) বিষাদ
খ) প্রসচ্ছন্ন
গ) নিন্দিত
ঘ) বিষণ্ণ
Note :

সঠিক উত্তর নিন্দিত

নন্দিত শব্দের অর্থ - আনন্দিত, অভিনন্দিত ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ। নিন্দিত শব্দের অর্থ - অপদস্থ, লাঞ্চিত ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ। তাই নন্দিত শব্দের বিপরীত শব্দ নিন্দিত।

ক) দ্বন্দ্ব
খ) তত্‍পুরুষ
গ) বহুব্রীহি
ঘ) অব্যয়ীভাব
Note :

"শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত" = "উচ্ছৃঙ্খল" হলো অব্যয়ীভাব সমাস

ক) অনু+ এষণ
খ) অন্ব+এষণ
গ) অন+এষণ
ঘ) অন্ব+ এষণ
Note :

অন্বেষণ' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: অনু + এষণ   স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম পদের শেষ ধ্বনি ‘উ’ বা ‘ঊ’-এর পরে যদি ভিন্ন স্বরধ্বনি (এখানে ‘এ’) থাকে, তবে ‘উ’/‘ঊ’ স্থানে ‘ব’ (ব-ফলা) হয়। তাই 'অনু' এর 'উ' এবং 'এষণ' এর 'এ' মিলে 'অন্বেষণ' গঠিত হয়েছে। 

জব সলুশন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন