বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী কোনটি
বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী কর্ণফুলী । এটি আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কর্ণফুলী নদী রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে । এটি চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটির প্রধান নদী । এর প্রধান উপনদী কাসালং ,হালদা এবং বোয়ালখালী
Related Questions
শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা। তিনি নিজেকে গৌড়েশ্বর পরিচয় দিতেন। তার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদের নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ। উত্তর বাংলা থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত স্বাধীন গৌড়রাজ্যের বিস্তৃতি ছিলো। ৫৯৪ খ্রি. থেকে ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড়রাজ্য শাসন করেন। তার আমলে তাম্রলিপ্ত বন্দর গুরুত্ব লাভ করে। বিখ্যাত চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং হিন্দু ধর্মের অনুসারী রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- বাংলার আদিম অধিবাসী : কোল, ভেল, সাঁওতাল, মুক্তা প্রভৃতি উপজাতি
- বাংলার আদি জনপদগুলোর জনগোষ্ঠীর ভাষা ছিল : অস্ট্রিক
- বাংলাকে সাম্রাজ্যভূক্ত করা হয় : মৌর্যদের আমল থেকে
- বাংলার স্বাধীন রাজ্যের গোড়াপত্তন হয় : মৌর্যযুগে
- আর্যদের আগমনের পূর্বে এ অঞ্চলে বসবাস ছিল : অনার্যদের
- বাঙালি জাতি গড়ে ওঠে : অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে.
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলু হল - বঙ্গ , গৌড় ,পুণ্ড্র ,সমতট , উত্তর , রার, দক্ষিণ রার ।
- মৌর্য নামে প্রাচীন বাংলার একটি রাজবংশ বিদ্যমান ছিল ।
সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করতে ১৯৮২ সালে জাতিসংঘ সমুদ্র কনভেনশন আইন (আনকজ) প্রণীত হয়। ১৯৯৫ সালে ভারত এই কনভেনশনে স্বাক্ষর করে, মিয়ানমার স্বাক্ষর করে ১৯৯৬ সালে এবং বাংলাদেশ ২০০১ সালে। এই আইন অনুযায়ী একটি দেশ তার বেজলাইন হতে ১২ নটিক্যাল মাইল (১ নটিক্যাল মাইল = ১ দশমিক ৮৫২ কিলোমিটার) রাষ্ট্রীয় সমুদ্রসীমা এবং আরো ১৮৮ নটিক্যাল মাইলসহ মোট ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। মহীসোপানের আরো ১৫০ নটিক্যাল মাইল যোগ করে (২০০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত মহীসোপান) সম্প্রসারিত অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা সর্বোচ্চ ৩৫০ নটিক্যাল মাইলের বেশি হবে না।
চৌম্বক পদার্থ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় । লোহা ও লোহা জাতীয় পদার্থ ( যেমন - ইস্পাত ) ,নিকেল হল চৌম্বক পদার্থ । অপরদিকে পিতল হল তামা ও জিঙ্কের সঙ্কর ধাতু ।
সেতারা বেগম (ডা. ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবপ্রাপ্ত একজন নারী মুক্তিযোদ্ধা
বাদুড় চলার সময় শব্দোত্তর তরঙ্গ তৈরি করে যা সম্মুখে অবস্থিত প্রতিফলকে বাধা পেয়ে প্রতিধবনিরুপে ফিরে আসে । এ থেকে বাদুড় বুঝতে পারে কোন পথে অন্ধকারে বিনা বাধায় চলতে পারবে ।
জব সলুশন