চর্যাপদ' কোন ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য ?
'চর্যাপদ' সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য।
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি।
খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ।
Related Questions
বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি থেকে ।
প্রাচীন ভারতীয় লিপি দুটি । ব্রাক্ষী ও খরোষ্ঠী । ব্রাক্ষী লিপি তিন ভাগে বিভক্ত । পূর্বী লিপি, মধ্য ভারতীয় লিপি এবং পশ্চিমা লিপি । পূর্বী লিপির কুটিল রুপ হতে বাংলা লিপির উদ্ভব ।
”চর্যাপদ” নেপাল থেকে আবিষ্কার করা হয় ।
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন বা গ্রন্থ হলো 'চর্যাপদ' । ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সলে নেপালের রাজদরবার থেকে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন এবং তার সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে তা গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় । 'চর্যাপদ' - এ ২৩ জন (মতান্তরে ২৪) পদকর্তা রয়েছেন । 'চর্যাপদ' - এর প্রাচীনতম বা আদিকবি লুইপা এবং সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন কাহ্নপা (১৩টি) ।
- 'মনসামঙ্গল' কাব্যের অপর নাম 'পদ্মাপুরাণ' ।
- বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্য ধারার প্রাচীনতম কাব্য 'মনসামঙ্গল' ।
- সাপের দেবী মনসার স্তব, স্তুতি, কাহিনী ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য মনসামঙ্গল।
- মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি - কানাহরি দত্ত;
- শ্রেষ্ঠ কবি হিসাবে বিবেচনা করা হয় - দ্বিজ বংশীদাশকে।
- এই কাব্যের চরিত্রঃ বেহুলা, দেবী মনসা, লক্ষীন্দর, চাঁদ সওদাগর প্রমুখ।
জব সলুশন