প্রাকৃত শব্দের ভাষাগত অর্থ -

ক) মূর্খদের ভাষা
খ) পণ্ডিতদের ভাষা
গ) জনগণের ভাষা
ঘ) লেখকদের ভাষা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

- প্রাকৃত বা প্রাকৃত ভাষা কথাটির তাৎপর্য হলো প্রকৃতির অর্থাৎ জনগণের কথ্য ও বোধ্য ভাষা।
- এক পর্যায়ে এ প্রাকৃত ভাষাই ভারতের বিভিন্ন আঞ্চলিক প্রভাবে, কথ্য ভাষার উচ্চারণের বিভিন্নতা অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন রূপ পরিগ্রহ করে।
- এ প্রাকৃত ভাষাই আঞ্চলিক বিভিন্নতা নিয়ে বিভিন্ন নামে চিহ্নিত হয়। যেমন - মাগধি প্রাকৃত, মহারাষ্ট্রি প্রাকৃত, শৌরসেনি প্রাকৃত ইত্যাদি।
- মাগধি প্রাকৃতের অপভ্রংশ থেকেই কালক্রমে বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে উৎপত্তি লাভ করে বাংলা ভাষা।

Related Questions

ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ) রামরাম বসু
গ) রামনারয়ণ তর্করত্ন
ঘ) রাজা রামমোহন রায়
Note :

গৌড়ীয় ব্যাকরণ বাঙালি রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ। রচয়িতা রাজা রামমোহন রায়, প্রকাশিত ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ গ্রন্থ। এর আগে তিনি ইংরেজিতে Bengali Grammar in the English Language নামের একটি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন।

ক) কোলন ড্যাশ
খ) ড্যাস
গ) কোলন
ঘ) সেমিকোলন
Note :

উদাহরণ প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোলনড্যাস ( :- ) চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। যেমন - পদ পাঁচ প্রকার :- বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।

যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা ততোধিক বক্যের সমন্বয় বোঝাতে ড্যাস ব্যবহৃত হয়। যেমন - তোমরা দরিদ্রের উপকার কর - এতে তোমাদের সম্মান যাবেনা - বাড়বে।

ক) চণ্ডীদাস
খ) জ্ঞানদাস
গ) বিদ্যাপতি
ঘ) গোবিন্দদাস
Note :

মৈথিলি কবি বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় পদাবলি রচনা করেছিলেন l 'ব্রজবুলি' কোনো আঞ্চলিক ভাষা নয়, এটি মূলত মৈথিলি ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। বিদ্যাপতি এই ভাষায় রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক বহু বিখ্যাত পদ বা কবিতা রচনা করেন l ব্রজবুলিতে মধুর পদ রচনার জন্য তাঁকে 'মৈথিল কোকিল' এবং 'অভিনব জয়দেব' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। বিদ্যাপতির দেখাদেখি পরবর্তীতে বাংলা ভাষার অনেক কবি, যেমন— গোবিন্দদাস কবিরাজ, জ্ঞানদাস এবং বলরাম দাস ব্রজবুলি ভাষায় পদাবলি রচনা করেন।

ক) নির্বোধ
খ) প্রজ্ঞা
গ) স্থিরতা
ঘ) মনস্বিতা
Note :

মনীষা শব্দের অর্থ - প্রতিভা, প্রজ্ঞা, তীক্ষ্ণবুদ্ধি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ। তাই মনীষা শব্দের বিপরীত শব্দ - নির্বোধ /বোকা। 

ক) স্বরভক্তি
খ) স্বরসঙ্গতি
গ) অভিশ্রুতি
ঘ) অপিনিহিতি
Note :

সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।

ক) গাছের ফুল
খ) মেনে নেয়া
গ) জলকণা
ঘ) রাজস্ব
Note :

শীকর শব্দের অর্থ জলকণা; বাতাসে ভাসমান বা চালিত জলকণাকে শীকর বলা হয়।

জব সলুশন

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

পোস্টমাস্টার জেনারেলের কার্যালয়, উত্তরাঞ্চল, রাজশাহী — পোস্টাল অপারেটর 19-06-2026

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন-জারিকারক 13-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর-অফিস সহায়ক 12-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন