অর্থ অনুসারে 'হরিণ' কোন ধরণের শব্দ ?
অর্থ অনুসারে বাংলা ব্যাকরণে ‘হরিণ’ একটি রূঢ়ি শব্দ。 [1, 2]
ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও মূল বা বুৎপত্তিগত অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন— বুৎপত্তিগত অর্থে ‘হরিণ’ শব্দের অর্থ হলো— যা হরণ করে বা টেনে নেয়। কিন্তু এর সাধারণ অর্থ না দাঁড়িয়ে, শব্দটি বাংলা ভাষায় একটি নির্দিষ্ট প্রাণী (মৃগ বা পশুবিশেষ)-কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি রূঢ়ি শব্দ। [1, 2]
Related Questions
সৌর একটি নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ। ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম (যেমন: স্বরসন্ধি বা প্রত্যয়ের নিয়ম) অনুসরণ না করে বিশেষ ব্যতিক্রম হিসেবে গঠিত শব্দগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ বলা হয়।
'পাহাড়ের ঢাল বেয়ে জল নামছে' বাক্যে জল হলো কর্তৃকারকে শূন্য (০) বিভক্তি। [1]
যেহেতু নিজে থেকেই জল নিচে নামছে বা গড়িয়ে পড়ছে, তাই এখানে 'জল' হলো কর্তা এবং এর সাথে আলাদা কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই।
মহকুমা শব্দটি মূলত একটি আরবি শব্দ। [1]
এটি বাংলায় আগত একটি পারিভাষিক শব্দ, যা আরবি ‘মাকাম’ (Maqam) বা ‘মহকুমা’ জাতীয় প্রশাসনিক ধারণা থেকে উদ্ভূত。 প্রশাসনিক কাজে জেলাকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করার ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। [1, 2, 3]
অসুস্থ বা পীড়িত অর্থে 'রুগ্ন' শব্দের শুদ্ধ বানান হলো রুগ্ণ (র, রসকার, গ, ণ-হসন্ত-যুক্ত
সঠিক উত্তর ড
যে বর্ণগুলো উচ্চারণ করতে ফুসফুস থেকে অপেক্ষাকৃত অধিক বাতাস প্রবাহিত হয় এবং উচ্চারণ নিনাদিত হয় তাদের ঘোষ বর্ণ বলে। বর্গের ৩য় - ৪র্থ বর্ণ ঘোষ বর্ণঃ গ - ঘ - জ - ঝ - ড - ঢ - দ - ধ - ব - ভ -
- কৃৎ-প্রত্যয়ের কৃদন্ত বিশেষণ গঠনে শানচ্-প্রত্যয় ('শ' ও 'চ' ইৎ, 'আন' বিকল্পে 'মান' থাকে) এর ব্যবহার হয়।
যেমন:
- বৃধ্+শানচ/মান = বর্ধমান;
- চল+শানচ্ = চলমান;
- দীপ্+শানচ্ = দীপ্যমান।
জব সলুশন