গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়-
বাংলা ব্যাকরণে প্রকৃতি ও প্রত্যয় যোগের ফলে শব্দের আদিস্বরে যে নির্দিষ্ট পরিবর্তন ঘটে, তাকে গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়। নিচে এর সহজ নিয়মগুলো দেওয়া হলো
Related Questions
‘চক্ষুদান করা’ বলতে বোঝায় চুরি করা।
ভাস্বর' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ভাঃ + স্বর (বিসর্গ সন্ধি)
নিয়ম: বিসর্গ (ঃ)-এর পর যদি 'স', 'শ' অথবা 'ষ' থাকে, তবে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে বা বিসর্গের জায়গায় ওই বর্ণটিই বসে। সেই নিয়ম অনুযায়ী, ভাঃ + স্বর মিলে 'ভাস্বর' শব্দটি গঠিত হয়।
Apenthesis (বা Epenthesis) শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো স্বরাগম বা ধ্বনি সংযোজন। ভাষাতত্ত্বে এর মূল অর্থ হলো উচ্চারণকে সহজ করার জন্য কোনো শব্দের মাঝে অতিরিক্ত কোনো স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের সংযোজন ঘটানো
'হ্ম' যুক্তবর্ণটির সঠিক বিশ্লেষণ হলো হ্ + ম
'অরুণরাঙা' হলো উপমান কর্মধারয় সমাস নিষ্পন্ন সমস্ত পদ। [1]
এর ব্যাসবাক্য হলো: অরুণের ন্যায় রাঙা [1]
এখানে, 'অরুণ' হলো উপমান (তুলনার বিষয়) এবং 'রাঙা' হলো সাধারণ গুণবাচক শব্দ। [1, 2]
সমাস সম্পর্কে আপনার কি আরও কোনো নির্দিষ্ট উদাহরণ বা ব্যাকরণগত প্রশ্ন জানার আছে? আমি সাহায্য করতে পারি।
জব সলুশন