কোনটি নিত্য সমাসের উদাহরণ?
Related Questions
কমা এর বাংলা পাদচ্ছেদ।
বাক্য পাঠ কালে সুস্পষ্টতা বা অর্থ বিভাগ দেখাবার জন্য যেখানে স্বল্প বিরতির প্রয়োজন, সেখানে কমা বা পাদচ্ছেদ ব্যবহৃত হয়। যেমন - সুখ চাও, সুখ পাবে পরিশ্রমে।
- বক্তব্য বিষয়কে সৌন্দর্যমন্ডিত করার জন্য ভাষায় ব্যবহৃত বিশেষ অর্থবহ শব্দগুচ্ছকে বাগধারা বলে।
- বাগধারার উদ্দেশ্য এক বা একাধিক পদের মিলনে কোন অর্থ প্রকাশ করে। যেমন— তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী), তুলসী বনের বাঘ (ভন্ড)।
বাংলা গদ্যের জনক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি প্রথম বাংলা গদ্যকে সরল, সুশৃঙ্খল ও শিল্পসম্মত রূপ দেন এবং যতিচিহ্ন (বিরাম চিহ্ন) সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে একে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক রূপ দান করেন। [1, 2, 3, 4]
- সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫- ২০১৬) রচিত 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' গ্রন্থটি একটি কাব্যনাটক।
- এ কাব্যনাটকটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এছাড়া 'গণনায়ক' (১৯৭৬), 'নুরুলদীনের সারাজীবন' (১৯৮২), 'এখানে এখন' (১৯৮৮), 'ঈর্ষা', 'যুদ্ধ এবং যুদ্ধ' তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যনাট্য।
১৯০৭ নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ পুঁথিটি আবিষ্কার করেন, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯২০ রাহুল সাংকৃত্যায়ন এ বছর থেকে পরবর্তী এক দশকে কয়েকবার তিব্বত সফর করে সেখান থেকে ২০টি চর্যাগীতি সংগ্রহ করতে সমর্থ হন। ১৯৫৪ সালে সেগুলো এলাহাবাদ থেকে প্রকাশিত হয়
- চৌদ্দ পংক্তির চৌদ্দ অক্ষর বা মাত্রায় রচিত কবিতাকে সনেট বলে।
- বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্ত সনেটের প্রবর্তন করেন।
- সনেটের চৌদ্দ পংক্তি দুটি পর্বে বিভক্ত।
- প্রথম পর্ব অষ্টক ৮ পংক্তি আর দ্বিতীয় পর্ব ষষ্ঠ ৬ পংক্তি নামে পরিচিত।
- কবি পেত্রার্ক— এর রচনার মাধ্যমে সর্বপ্রথম সনেটের উদ্ভব হয় ইতালিতে।
জব সলুশন