”বীরসন্তান প্রসব করে যে নারী”-এর এক কথায় প্রকাশ-
একনজরে সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী: বীরপ্রসূ
অতি গুণবান পুত্রের জননী: রত্নগর্ভা
যে নারী বীর: বীরাঙ্গনা
যে নারী মৃত সন্তান প্রসব করে: মৃতবৎসা
যে নারী প্রথম সন্তান প্রসব করেছে: প্রসূতি (বা প্রথম প্রসবের ক্ষেত্রে 'প্রথমা প্রসূতি')
Related Questions
অধিকরণে ৭মী।
ক্রিয়ার আধার কে অধিকরণ কারক বলে। অর্থাৎ যে স্থানে একবার যে বিষয়টি আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, সে বিষয়, সময় বা স্থানকে বলা হয় অধিকরণ কারক। যেমন - আকাশে চাঁদ উঠেছে ।
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলে।
উদাহরণস্বরূপ— 'আ' বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ' আকার' (া), 'ই' বর্ণের রূপ 'ই কার' (ি), এবং 'ঈ' বর্ণের রূপ 'ঈ কার' (ী)। মোট ১০টি স্বরবর্ণের কার চিহ্ন রয়েছে (আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ)। 'অ' বর্ণের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার চিহ্ন নেই।
কিংবদন্তি একটি তৎসম শব্দ। সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো অবিকল বা অপরিবর্তিত রূপ নিয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়। 'তৎসম' শব্দের অর্থ 'তার সমান' (অর্থাৎ, সংস্কৃতের সমান)।
ঐতিহাসিক 'ধূমকেতু' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম。
১৯২২ সালের ১১ আগস্ট তাঁর সম্পাদনায় ব্রিটিশবিরোধী এই অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়
- দ্যুতি শব্দের সমার্থক শব্দ দীপ্তি, প্রভা, ঔজ্জ্বল্য, কিরণ, শোভা ইত্যাদি।
- অগ্নি এর সমার্থক শব্দ ঃ অনল, আগুন, কৃশানু, দহন, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর, শিখা, সর্বভুক, সর্বশুচি, পাবন, বায়ুসখা। দ্যুতি অর্থ প্রভা, দীপ্তি।
সঠিক বা শুদ্ধ বানান হলো দোষণীয়। ব্যাকরণ অনুসারে, 'দূষণ' (দূষ্ + অন) বানানে মূর্ধন্য-ণ (ণ) হলেও, এর সাথে 'ঈয়' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দের বানানে দন্ত্য-ন (ন) ব্যবহৃত হয়।
জব সলুশন