”ইংরেজি” শব্দটি কোন ভাষা থেকে নেয়া হয়েছে?
'ইংরেজ' শব্দটি মূলত পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজ শব্দ Ingles বা Engrez থেকে ‘ইংরেজ’ শব্দের উৎপত্তি, যা ইংল্যান্ডের অধিবাসীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
উৎপত্তি বা উৎস অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত ৫ ভাগে ভাগ করা হয়েছে lএই ৫টি ভাগ হলো:
১. তৎসম শব্দ: যে সমস্ত শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত অবস্থায় সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয় (যেমন: চন্দ্র, সূর্য, আকাশ)।
২. অর্ধ-তৎসম শব্দ: সংস্কৃত শব্দ থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে যে শব্দগুলো বাংলায় এসেছে (যেমন: চন্দ্র থেকে চন্দ)।
৩. তদ্ভব শব্দ: সংস্কৃত বা প্রাকৃত ভাষার শব্দ পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষার নিজস্ব শব্দরূপে বিকশিত হয়েছে (যেমন: চন্দ্র > চন্দ > চাঁদ)।
৪. দেশি শব্দ: প্রাচীন বাংলার আদিবাসী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিজস্ব মুখের ভাষা থেকে আগত শব্দ (যেমন: কুলা, ডাব, খড়)।
৫. বিদেশি শব্দ: রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক বা ধর্মীয় কারণে বাংলায় মিশে যাওয়া বিভিন্ন ভাষার শব্দ (যেমন: চেয়ার, কলম, স্কুল)।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ মোট ২০টি । এগুলো হলো: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ । এই উপসর্গগুলো বিশেষ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখেন ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড।
বাংলা ব্যাকরণের প্রথম গ্রন্থ রচনা করেন মনোএল দ্যা আসসুম্পাসাঁও। '
”উপকন্ঠ” শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো “কন্ঠের সমীপে”। এটি একটি অব্যয়ীভাব সমাস (সমীপ্য অর্থে)।
দুঃ + যোগ = দুর্যোগ।
অ ও আ ভিন্ন অন্য স্বরের পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার সঙ্গে অ, আ, বর্গীয় ঘোষ অল্প প্রাণ ও ঘোষ মহাপ্রাণ, নাসিক্য ধ্বনি কিংবা য, , র ল, ব, হ - এর সন্ধি হলে বিসর্গ স্থানে ' র' হয়।
যেমন - দুঃ + যোগ = দুর্যোগ, আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ, নিঃ + আকার = নিরাকার ইত্যাদি।
জব সলুশন