'ষষ্ঠ'--এর সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
'ষষ্ঠ'-এর সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো ষষ্ + থ
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, মূর্ধন্য 'ষ্'-এর পরে 'ত্' বা 'থ' থাকলে, 'ত্' বা 'থ'-এর স্থানে যথাক্রমে 'ট' বা 'ঠ' হয়। যেহেতু এখানে 'ষ্' এর পরে 'থ' রয়েছে, তাই সেটি পরিবর্তন হয়ে 'ঠ' রূপ ধারণ করে (ষষ্ + থ = ষষ্ঠ)।
Related Questions
বাংলা ভাষার মৌলিক রূপ প্রধানত দুটি:
১. মৌখিক রূপ (কথ্য ভাষা)
২. লৈখিক রূপ (লেখ্য ভাষা)
যে স্বরধ্বনিকে আর ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে。বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি হলো মোট ৭টি । ধ্বনিগুলো হলো: অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা
বাংলা ভাষা মূলত ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে উদ্ভূত হয়ে মাগধী প্রাকৃত এবং গৌড়ীয় অপভ্রংশ বা মাগধী অপভ্রংশের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়েছে।
ভাষাবিদদের মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিম্নরূপ:
আদি উৎস: ইন্দো-ইউরোপীয় (Indo-European) ভাষা পরিবার
প্রাচীন ভারতীয় আর্য: বৈদিক ও সংস্কৃত ভাষা
মধ্য ভারতীয় আর্য: পালি ও প্রাকৃত ভাষা (বিশেষ করে মাগধী প্রাকৃত) চূড়ান্ত রূপ: গৌড়ীয় অপভ্রংশ বা বঙ্গ-কামরূপী
বাংলা ভাষার উৎপত্তি নিয়ে বিখ্যাত ভাষাবিদদের মতামতের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে:
১. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মত: তাঁর মতে, বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত থেকে উদ্ভূত হয়ে মাগধী অপভ্রংশ বা গৌড়ীয় অপভ্রংশ হয়ে দশম শতাব্দীতে (১০০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে) আত্মপ্রকাশ করে।
২. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মত: তাঁর মতে, বাংলা ভাষা এসেছে গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে। তিনি প্রাচীন গৌড়ীয় অপভ্রংশকে বাংলার সরাসরি উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
জব সলুশন