অবলম্বনের ‘অব’ উপসর্গ কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
Related Questions
খাঁটি বাংলা উপসর্গ সমুহঃ ইতি ,অ, অনা, অঘা, অজ, আ, আন, আড়, আব, ঊন, ইতি, নি, পাতি, কু, কদ, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
যেসব অব্যয় ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন নতুন অর্থের সৃষ্টি করে ,তাদের উপসর্গ বলে ।
- খাঁটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ একুশটি ।
- তৎসম উপসর্গ বিশটি ।
-বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গ অনির্ণেয়।
- বাংলা ভাষায় বিদেশি উপসর্গের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই ।আরবি,ফারসি ,ইংরেজি ,হিন্দি -এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে ।এদের সাথে কতগুলো বিদেশি উপসর্গ বাংলায় চালু রয়েছে ।দীর্ঘকাল ব্যবহারে এগুলো বাংলা ভাষায় বেমালুম মিশে গিয়েছে ।বেমালুম শব্দটিতে 'মালুম' আরবি শব্দ আর 'বে' ফারসি উপসর্গ ।
আরবি উপসর্গগুলো হলো - আম, খাস, লা, বাজে, গর্, খয়ের।
বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন প্রকার। যথা :
- খাঁটি বাংলা ( ২১ টি ),
- তৎসম বা সংস্কৃত ( ২০ টি ) ও
- বিদেশি উপসর্গ ।
'অবেলা' শব্দটি খাঁটি বাংলা 'অ' উপসর্গযোগে গঠিত । অবেলা শব্দে 'অ' উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ।
অন্যদিকে অপমান অ অতিশয় শব্দ দুটি তৎসম 'অপ' ও 'অতি' উপসর্গযোগে গঠিত । আঁকড়া- এর স্থলে আকাঁড়া হলে শব্দটি খাঁটি বাংলা 'আ' উপসর্গযোগে গঠিত হতো ।
এক বা একাধিক ধ্বনির অর্থবোধক সম্মিলনে শব্দ তৈরি হয়, শব্দের ক্ষুদ্রাংশকে বলা হয় রূপ (Morpheme)। রূপ গঠন করে শব্দ। সেই জন্য শব্দতত্ত্বকে রুপতত্ত্ব (Morphology) বলা হয়। লিঙ্গ, সমাস, বচন, ধাতু, সংখ্যাবাচক পদ, পদাশ্রিত নির্দেশক, দ্বিরুক্তি, ক্রিয়া, কাল, পুরুষ, উপসর্গ, পদ, প্রকৃতি ও প্রত্যয়।
জব সলুশন