চর্যাপদ কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে?
”চর্যাপদ” নেপাল থেকে আবিষ্কার করা হয় ।
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন বা গ্রন্থ হলো 'চর্যাপদ' । ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সলে নেপালের রাজদরবার থেকে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন এবং তার সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে তা গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় । 'চর্যাপদ' - এ ২৩ জন (মতান্তরে ২৪) পদকর্তা রয়েছেন । 'চর্যাপদ' - এর প্রাচীনতম বা আদিকবি লুইপা এবং সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন কাহ্নপা (১৩টি) ।
Related Questions
”মর্সিয়া” শব্দের উৎস ভাষা - - আরবি ।
'মর্সিয়া' আরবি ভাষার শব্দ । আরবি ভাষায় আরো কয়েকটি শব্দ: হালাল, হারাম, গোসল , আদালত, উকিল, কলম, নগদ, মুসাফির, খাজনা, দলিল,মোলায়েম ।
যোগ শতকের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার মুসলিম কবি দৌলত উজির বাহরাম খান। তিনি চট্টগ্রামের জাফরাবাদের শাসনকর্তা জমিদার নিজাম শাহের দেওয়ান ছিলেন। তিনি নিজাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় পারসিয়ান কবি জামির আরবি লোকগাথা পায় থেকে বাংলায় 'লায়লী - মজনু' অনুবাদ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম বাহরাম খান। জমিদার নিজাম শাহ তাকে দৌলান করেন। গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আহাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর ‘ইউসুফ - জোলেখা রচনা করেন। করুনউদ্দিন বরবক শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় মালাধর বসু 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' কাব্য রচনা করেন। কোরেশী মাগন ঠাকুরের উৎসাহে আলাওল 'পদ্মাবতী' কাবা রচনা করেন।
- বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্য ধারার প্রাচীনতম কাব্য 'মনসামঙ্গল' ।
- সাপের দেবী মনসার স্তব, স্তুতি, কাহিনী ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য মনসামঙ্গল।
- 'মনসামঙ্গল' কাব্যের অপর নাম 'পদ্মাপুরাণ' ।
- মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি - কানাহরি দত্ত;
- শ্রেষ্ঠ কবি হিসাবে বিবেচনা করা হয় - দ্বিজ বংশীদাশকে।
- এই কাব্যের চরিত্রঃ বেহুলা, দেবী মনসা, লক্ষীন্দর, চাঁদ সওদাগর প্রমুখ।
জব সলুশন