কোন পণ্ডিত চর্যাপদের পদ্গুলো টীকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন?
মুনিদত্ত চর্যাপদের পদগুলো টীকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন।
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি
Related Questions
চর্যাপদ এর রচয়িতা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেছেন চর্যাপদের আদি কবি লুইপা।
আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমদিকে সমাজে কবি গানের প্রচলন ছিল।
যারা কবি গান করতেন তাদের হিন্দু সমাজে কবিয়াল ও মুসলিম সমাজে শায়ের বলা হতো।
কবিওয়ালাদের যিনি প্রাচীন তার নাম গেঁজলা গুই।
সংস্কৃত থেকে নয়, প্রাকৃত ভাষা থেকেই উদ্ভব ঘটেছে বাংলা ভাষার। প্রাচীন ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে মনের ভাব প্রকাশের নানা রীতি চালু ছিল। সেখান থেকেই অঞ্চলভেদে উৎপত্তি হয় ভিন্ন ভিন্ন প্রাকৃতভাষা। আমাদের এই নদী বিধৌত পূর্ব অঞ্চলের মানুষেরা যে প্রকৃত ভাষায় কথা বলতে, তা হলো মাগধী।
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। এর আবিষ্কারক ড.হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ১৯০৭ সালে মহামোহপাধ্যায় ড.হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি পুঁথি আবিষ্কারে করেন। চর্যাপদ এর প্রধান কবিগণ হলেন - লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা, শবরপা প্রমুখ।
চর্যাপদ ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।
চর্যাপদ রচনা করেন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ । বাংলার পাল বংশের রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ । আর তাই তাদের আমলেই চর্যাগীতিকাগুলোর বিকাশ ঘটে।
জব সলুশন