বিয়েপাগলা' শব্দটি কোণ সমাস ?
পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি, আরামের জন্য কেদারা = আরামকেদারা, বসতের নিমিত্ত বাড়ি = বসতবাড়ি, বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগলা ইত্যাদি।
Related Questions
যে সমাসের সমস্ত পদে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান না হয়ে অন্য একটি পদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। বহুব্রীহি সমাস ৮ প্রকার। যথাঃ ১. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি, ২. ব্যধিকরণ বহুব্রীহি, ৩. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি, ৪. ব্যতিহার বহুব্রীহি ৫. অলুক বহুব্রীহি ৬. নঞ্চ বহুব্রীহি ৭. প্রত্য্যান্ত বহুব্রীহি ও ৮. দ্বিগু বা সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি। এদের মধ্যে ‘লাঠালাঠি’ শব্দের ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস, যার ব্যাসবাক্য লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ - লাঠালাঠি। একইরুপে দুটি বিশেষ্য পদ একসঙ্গে বসে পরস্পর একই জাতীয় কাজ করলে যে সমাস হয় তাকে বলা হয় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।
নিত্য সমাস
যে সমাসে সমস্যমান পদ দ্বারা সমাস - বাক্য হয় না, অন্য পদের দ্বারা সমস্ত পদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়। যেমন: কেবল তা = তন্মাত্র, অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র, অন্য গৃহ = গৃহান্তর, (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ, তুমি আমি ও সে = আমরা, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।
দ্বিগু সমাসে পরপদ প্রধান।
সমাহার বা সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।
তবে অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
জব সলুশন