বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীন নবাব কে?
মুর্শিদ কুলি খান ছিলেন বাংলার প্রথম নবাব।
১৭০০ সালে শায়েস্তা খানের দক্ষ সুবাদার হিসেবে বাংলার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন মুর্শিদকুলী খান। তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে বাংলার ভঙ্গুর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থার উন্নতি করতে সক্ষম হন। সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর দুর্বল মুঘল সম্রাটগণ দূরবর্তী রজ্যগুলোর দিকে দৃষ্টি দিতে পারেননি। ফলে এসব অঞ্চলের সুবাদারগণ অনেকটা স্বাধীনভাবে নিজেদের অঞ্চল শাসন করতে থাকেন। মুর্শিদকুলী খান ও অনেকটা স্বাধীন হয়ে পড়েন। নবাব মুর্শিদ কুলী খানের সময় থেকেই বাংলা সুবা প্রায় স্বাধীন হয়ে পড়ে। ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ বাংলার স্বাধীনতার সূচনা করলে ও প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করে শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা। সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহী যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
Related Questions
মুঘল আমলে প্রাচীন বাংলার গৌরব ' মসলিন কাপড়' ঢাকায় তৈরি হত।
মসলিন বিশেষ এক প্রকার তুলার আঁশ থেকে প্রস্তুতকৃত সূতা দিয়ে বয়ন করা এক প্রকারের অতি সূক্ষ্ম কাপড়বিশেষ। এটি ঢাকাই মসলিন নামেও সুবিদিত। ফুটি কার্পাস নামক তুলা থেকে প্রস্তুত অতি চিকন সুতা দিয়ে মসলিন তৈরি করা হত।
ঢাকা ১৬১০, ১৬৬০,১৯০৫, ১৯৪৭ এবং ১৯৭১ সালে অর্থাৎ মোট ৫ বার রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে।
মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ক্ষমতা গ্রহণ করে শেখ আলাউদ্দিন ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবেদার নিয়োগ করেন। ইসলাম খান সর্বপ্রথম ১৬১০ সালে রাজমহল থেকে স্থানান্তরিত করে ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে ঢাকার নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
ইখতিয়ারউদ্দীন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী ১২০৪ সালে মাত্র ১৭ জন অশ্বারোহী সেনা নিয়ে নদীয়ার রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেন।
মধ্যযুগীয় বাংলার সুলতানদের মধ্যে এক বিশিষ্ট স্থানের অধিকারী ইলিয়াস শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ বাংলার স্বাধীন সালতানাতকে সুদৃঢ় করেন। জাতি গঠনকারী হিসেবে ইলিয়াস শাহ-ই প্রথম যিনি সাতগাঁও, লখনৌতি ও সোনারগাঁ অঞ্চলকে একত্রিত করে স্বাধীন সালতানাত প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি এ সম্মিলিত রাজ্যের নামকরণ করেন বাঙ্গালাহ এবং এর অধিবাসীদের অভিহিত করেন বাঙালি নামে।
সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম ইংরেজ দূত - ক্যাপ্টেন হকিন্স।
বিখ্যাত ইংরেজ ক্যাপ্টেন স্যার উইলিয়াম হকিন্স। ১৬০০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠনের কয়েক বছর পর হকিন্সকে ‘হেক্টর’ জাহাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৬০৮ সালে এ জাহাজে করেই তাঁর নেতৃত্বে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতিনিধিদল প্রথম ভারতীয় উপকূলে (সুরাট) পৌঁছে।
ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমসের চিঠি নিয়ে তিনি আগ্রায় মোগল সম্রাট (চতুর্থ) জাহাঙ্গীরের দরবারে হাজির হন। এর পরই ইংরেজদের বাণিজ্যকুঠি স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়।
মুঘল সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নাম দেন 'জান্নাতাবাদ'।
মুঘল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সম্রাট নাসির উদ্দিন মুহাম্মদ হুমায়ুন বাংলায় এসে বাংলার আবহাওয়া ভূ প্রকৃতি এবং অফুরন্ত সম্পদ দেখে বাংলার নাম রাখেন জান্নাতাবাদ।
জব সলুশন