আজকে নগদ কালকে ধার ---বাক্য নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
" 'আজকে' নগদ কালকে ধার " বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি অধিকরণ কারকে ২য়া বিভক্তি।
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
অধিকরণ কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি হলো যেমন: মন আমার নাচে রে আজিকে।
Related Questions
'ভাইয়ে ভাইয়ে' বেশ মিল। - বাক্যটিতে ব্যতিহার কর্তার প্রয়োগ ঘটেছে। যেমন "রাজায় রাজায় লড়াই"। আর এখানে ৭মী বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে
'পড়ায় আমার মন বনে না' - এখানে 'পড়ায়' কর্ম কারকে ৭মী বিভক্তি। কিসে প্রশ্ন করলে 'পড়া' পাওয়া যায় যেহেতু এটি কর্মকারক।
"করণ' শব্দটির অর্থ- যন্ত্র, সহায়ক বা উপায় ।
বাকাস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কীসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা-ই করণ কারক। যেমন: শিকারি বিড়াল গোঁকে চেনা যায়।- সপ্তমী বিভক্তি।
নৌকায় নদী পার হলাম - সপ্তমী বিভক্তি।
'নতুন ধান্যে হবে নবান্ন' - - এই বাক্যের 'ধান্যে' পদে করণ কারকে ৭মী বিভক্তি প্রযুক্ত হয়েছে।
'করণ' শব্দের অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়।
বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কিসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা - ই করণ কারক। যেমন -
নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ - কলম)
'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়। ' (উপায় - সাধনা)
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। ক্রিয়ার সাথে কোথায়, কখন, কিসে যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় , তাই অধিকরণ কারক। যেমন: সারারাত বৃষ্টি হয়েছে। এখানে যদি প্রশ্ন করা হয়; কখন বৃষ্টি হয়েছে? তাহলে উত্তর পাই - ‘সারারাত’। সুতরাং’ সারারাত’ অদিকরণ কারক এবং এর সাথে ‘সারারাত + ০’ শূণ্য বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
যা কিছু থেকে বিচ্যুৎ, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে। যেমন, বাবাকে বড্ড ভয় পাই। এ বাক্যে 'বাবাকে' শব্দ টি অপাদানে ২য়া বিভক্তি।
জব সলুশন