বঙ্গভঙ্গ কি ধরণের সংস্কার?
-১৭৫৬ সালের পর থেকে বাংলার অন্তর্ভুক্ত ছিল বিহার ও উড়িষ্যা।
-ফলে সরকারি প্রশাসনিক এলাকা হিসেবে বাংলা অতিরিক্ত বড় হয়ে যায় এবং ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে এ অঞ্চলের সুষ্ঠু শাসন পরিচালনা দুরূহ হয়ে পড়ে।
-এ জন্য শাসন ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে প্রশাসনিক সংস্কারের জন্যই ব্রিটিশরা ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করে দুটি প্রশাসনিক অঞ্চল তৈরী করে।
Related Questions
১৭৯৩ সালে লর্ড কনওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা চালু করেন।
১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা চিরস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এটি ছিল এ দেশের গরিব মানুষকে শোষণের একটি কৌশল। এই বন্দোবস্তের ফলে ইংরেজদের অনুগ্রহপুষ্ট কিছু জমিদার বাংলার সব জমির মালিক হয়ে যায়। এসব জমিদার, নায়েব, গোমস্তা, পাইক, পেয়াদা প্রভৃতি কর্মচারীর মাধ্যমে জোর জুলুম করে কৃষক প্রজাদের নিকট থেকে খাজনা আদায় করত।
বঙ্গভঙ্গ ১৯১১ সালে রদ করা হয়।
১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকাকে দ্বিতীয়বারের মত রাজধানী ঘোষণা করে লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন। ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে ইংরেজ শাসক লর্ড হার্ডিঞ্জের শাসনামলে দিল্লীর এক সভাতে ব্রিটিশ রাজা পঞ্চম জর্জের উপস্থিতিতে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।
-ভারতবর্ষে সর্বপ্রথম রাজস্ব বোর্ড স্থাপন করেন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির তৃতীয় গভর্নর-জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস।
-১৭৭২ সালের ২২ জুলাই তিনি একটি রাজস্ব কমিশন গঠন করেন, যাকে আমিনি কমিশন বলা হয়। এই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ১৭৭৩ সালের ১ আগস্ট পূর্ববঙ্গ, বিহার এবং উড়িষ্যায় একটি রাজস্ব বোর্ড স্থাপন করা হয়।
-দ্বৈত শাসন প্রতিষ্ঠা করেন- লর্ড ক্লাইভ
-বাংলা নববর্ষের প্রবর্তক- সম্রাট আকবর
-পাট্টা ও কাবুলিয়াত প্রথা চালু করেন- শেরশাহ
জব সলুশন