বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ কোনটি?

ক) বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
খ) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
গ) বাংলা সাহিত্যের কথা
ঘ) বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্তের 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ। ১৮৯৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়।

Related Questions

ক) উর্দু
খ) সংস্কৃত
গ) ফারসি
ঘ) আরবি
Note :

”মর্সিয়া” শব্দের উৎস ভাষা - - আরবি ।

'মর্সিয়া' আরবি ভাষার শব্দ । আরবি ভাষায় আরো কয়েকটি শব্দ: হালাল, হারাম, গোসল , আদালত, উকিল, কলম, নগদ, মুসাফির, খাজনা, দলিল,মোলায়েম  ।

ক) সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ
খ) কোরেশী মাগন ঠাকুর
গ) সুলতান বরবক শাহ
ঘ) জমিদার নিজাম শাহ
Note :

যোগ শতকের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার মুসলিম কবি দৌলত উজির বাহরাম খান। তিনি চট্টগ্রামের জাফরাবাদের শাসনকর্তা জমিদার নিজাম শাহের দেওয়ান ছিলেন। তিনি নিজাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় পারসিয়ান কবি জামির আরবি লোকগাথা পায় থেকে বাংলায় 'লায়লী - মজনু' অনুবাদ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম বাহরাম খান। জমিদার নিজাম শাহ তাকে দৌলান করেন। গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আহাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর ‘ইউসুফ - জোলেখা রচনা করেন। করুনউদ্দিন বরবক শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় মালাধর বসু 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' কাব্য রচনা করেন। কোরেশী মাগন ঠাকুরের উৎসাহে আলাওল 'পদ্মাবতী' কাবা রচনা করেন।

ক) মনসামঙ্গল
খ) মনসাবিজয়
গ) পদ্মাপুরাণ
ঘ) পদ্মাবতী
Note :

- বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্য ধারার প্রাচীনতম কাব্য 'মনসামঙ্গল' । 
- সাপের দেবী মনসার স্তব, স্তুতি, কাহিনী ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য মনসামঙ্গল।
- 'মনসামঙ্গল' কাব্যের অপর নাম 'পদ্মাপুরাণ' ।
- মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি - কানাহরি দত্ত; 
- শ্রেষ্ঠ কবি হিসাবে বিবেচনা করা হয় - দ্বিজ বংশীদাশকে।
- এই কাব্যের চরিত্রঃ বেহুলা, দেবী মনসা, লক্ষীন্দর, চাঁদ সওদাগর প্রমুখ।

ক) বসন্তরঞ্জন
খ) বড়ৃ চন্ডীদাস
গ) ত্রৈলোক্য আচর্য
ঘ) ব্রজসুন্দর সান্ন্যাস
ক) সংস্কৃত
খ) প্রাকৃত
গ) পালি
ঘ) গৌড় অপভ্রংশ
Note :

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ তার ‘বাঙ্গাল ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থে লিখেছেন, গৌড়ীয় প্রাকৃতের পরবর্তী স্তর গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে ভাষার উৎপত্তি ।

ক) শ্লোক
খ) কবিতা
গ) গান
ঘ) ধাঁধা
Note :

প্রশ্ন: চর্যাপদ’ হলো মূলত-

চর্যা পদগুলো মূলত গানের সংকলন কারন এগুলো বৌদ্ধ সহজিয়া সাধুদের সাধন সঙ্গীত। এখানে পদ ছিল সাড়ে ছেচল্লিশটি( একটি পদের ছঁড়া বা খন্ডিত অংশহ)।
এর মধ্যে কাহ্নপা(কৃষ্ণপা)>পদ নং - ৭/৯/১০/১১/১২/১৩/১৮/১৯/২৪(পাওয়া যায় নি)
কুক্কুরীপা>পদ নং-২/২০/৪৮(পাওয়া যায় নি)
তন্ত্রীপা>পদ নং-২৫(পাওয়া যায় নি)
ভুসুকুপা>পদ নং ৬/২১/২৩/২৭/৩০/৪১/৪৩/৪৯(কিছু পাওয়া গেছে)

চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্য ভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি। খ্রিষ্টীয় ৬৫০ - ১২০০ সালে (ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ'র মতে) বা ৯৫০ - ১২০০ সালের মধ্যে ( আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এর মতে) রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তারা পদগুলো রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাতও হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলোতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ এখনও চিত্তাকর্ষক। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ।

জব সলুশন

জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (27-02-2026)

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) - উপ-সহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা (পুর)/প্রাক্কলনিক (06-02-2026)

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন