মঙ্গলকাব্যের কোন চরিত্রটি “দেবতা-বিরোধী” বলে পরিচিত?
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্যই হলো মঙ্গলকাব্য।
মঙ্গলকাব্য ধারার প্রাচীনতম কাব্য "মনসামঙ্গল"।
এ কাব্যের চাঁদ সদাগর চরিত্রটি দেবতা - বিরোধী হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর - চাঁদ সদাগর।
Related Questions
ময়মনসিংহ গীতিকা নয় - ভেলুয়া।
ময়মনসিংহ গীতিকা গুলো হল: মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী ইত্যাদি।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র।
রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পেড়ো - বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
যথাযথভাবেই রবীন্দ্রনাথ তার কাব্যকে তুলনা করেন “রাজকণ্ঠের মণিমালা” - র সঙ্গে। তার আর একটি বিখ্যাত কাব্য সত্যপীরের পাঁচালী। ভারতচন্দ্র ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তার মৃত্যুর সাথে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সমাপ্তি হয়।
সৈয়দ হামজার সাহিত্যকীর্তি:
মধুমালতী (১৭৮৮) - পুথিঁ (বাংলা)
আমীর হামজা (১৭৯৫)
হাতেম তাই
ময়মনসিংহ অঞ্চল থেকে সংগৃহীত একটি পালা হলো 'মহুয়া' যার রচয়িতা দ্বিজ কানাই। এই পালার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলোঃ মহুয়া, নদের চাঁদ, হুমরা বেদে, সাধু ।
বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি থেকে ।
প্রাচীন ভারতীয় লিপি দুটি । ব্রাক্ষী ও খরোষ্ঠী । ব্রাক্ষী লিপি তিন ভাগে বিভক্ত । পূর্বী লিপি, মধ্য ভারতীয় লিপি এবং পশ্চিমা লিপি । পূর্বী লিপির কুটিল রুপ হতে বাংলা লিপির উদ্ভব ।
চর্যাপদ রচনা করেন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ । বাংলার পাল বংশের রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ । আর তাই তাদের আমলেই চর্যাগীতিকাগুলোর বিকাশ ঘটে।
জব সলুশন