গদ্য সাহিত্য কোন যুগের সৃষ্টি ?
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের যুগকে প্রধানত তিনটি পর্বে বিভক্ত করা হয়। যথা: প্রাচীন যুগ ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ, মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ এবং আধুনিক যুগ ১৮০১ - বর্তমান পর্যন্ত। গদ্য সাহিত্য আধুনিক যুগের বৈশিষ্ট্য। মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত ১২০১ - ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ হলো অন্ধকার যুগ।
Related Questions
১৫৫৫ সালে আসামরাজকে লেখা কোচবিহারের রাজার একটি চিঠিকে বাংলা গদ্যের আদি নিদর্শন বলা হয়।
কোচবিহারের কোচ রাজা নরনারায়ণ, যাঁর প্রকৃত নাম মল্লদেব, তিনি ষোলো শতকের মাঝামাঝি সময়ে ১৫৫৫-৫৬ সাল নাগাদ অহোমরাজ স্বর্গনারায়ণ চুখাম ফা কিংবা সুখাম্পাকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। কেঁচোর রসে লেখা সে চিঠিই বাংলা গদ্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। বাংলাপিডিয়া জানাচ্ছে, সে চিঠির ভাষা ছিল অসমিয়া, কামতাপুরি, সংস্কৃত, বাংলা ও ফারসি মিশ্রিত।
অপরদিকে বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ।
এটি ১৯০৭সালে প্রকাশিত হয়।
বাংলা সাহিত্যে আধুনিক পর্ব শুরু হয় ১৮ শতকে।
আধুনিক যুগ :
মূলত বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগ নিয়ে মত পার্থক্য থাকলেও,মোটামুটি ভাবে ১৭৬০ খ্রীষ্টাব্দে ভারত চন্দ্রের মৃত্যুর পর থেকেই বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূত্রপাত বলে নানা সমালোচক মতপ্রকাশ করেছেন।
কালের দিক থেকে আধুনিক যুগকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করা যায় - ১৭৬০ - ১৭৯৯খ্রিঃ(আধুনিক যুগের প্রথম পর্ব), ১৮০০ - ১৮৫৮খ্রিঃ(আধুনিক যুগের দ্বিতীয় পর্ব), ১৮৫৯ - ১৯০০খ্রিঃ(আধুনিক যুগের তৃতীয় পর্ব), ১৯০১ - ১৯৪৭খ্রিঃ(আধুনিক যুগের চতুর্থ পর্ব), ১৯৪৮ - ২০০০খ্রিঃ(আধুনিক যুগের পঞ্চম পর্ব), ২০০১খ্রিঃ - বর্তমানকাল(আধুনিক যুগের ষষ্ঠ পর্ব)।
বাংলা কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ মনোএল দা আসসুম্পসাঁওয়ের রোমান লিপিতে লেখা ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ'। অবাঙালি কর্তৃক বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হ্যানা ক্যাথরিন ম্যালেন্স রচিত ‘ফুলমণি ও করুণার বিবরণ (১৮৫২)। এটি The Last Day of the Week নামে ইংরেজি আখ্যানের ছায়াবলম্বনে রচিত।
গণসাহিত্য শব্দে গণ কথাটির অর্থ - সাধারণ মানুষ।
গণ শব্দের সাধারণ অর্থ - সমূহ, সমষ্টি। তবে উন্নত প্রাণীবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে গণ, বৃন্দ, মণ্ডলী, বর্গ ব্যবহার হয়।
এই জন্য গণসাহিত্য
উত্তরাধুনিকতাবাদের মর্ম মূলে আছে নৈরাশ্যবাদ। রোমান্টিক মূল সুর হলো কল্পনা প্রবণ সৌন্দর্যবোধ। আধুনিকতার মর্মকথা হলো মানবিকতা, ব্যক্তিচেতনা, জাতীয়তাবোধ, মৌলিকতা, নাগরিকতা, মুক্তিবুদ্ধি ইত্যাদি।
জব সলুশন