মাওলানা আকরাম খাঁ রচিত ‘মোস্তফা চরিত ‘ গ্রন্থটি-
মাওলানা আকরাম খাঁর সাহিত্য কর্ম:
সমস্যা ও সমাধান [এই গ্রন্থে লেখকের ইসলামে নারীর মর্যাদা, সুদ সমস্যা, চিত্র (ছবি তোলা) সমস্যা, সঙ্গীত সমস্যা এই চারটি প্রবন্ধ সংকলিত হয়]
আমপারার বাংলা অনুবাদ
মোস্তফা - চরিত (বর্তমানে খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত)
মোস্তফা - চরিতের বৈশিষ্ট্য
বাইবেলের নির্দেশ ও প্রচলিত খ্রীষ্টান ধর্ম
মোছলেম বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস (ঐতিহ্য হতে প্রকাশিত)
তাফসীরুল কোরআন(১ - ৫ খণ্ড) (খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত)
মুক্তি ও ইসলাম
Related Questions
মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী (১৮৮৮ - ১৯৪০) লেখক, সাংবাদিক। ১৩৯৫ বঙ্গাব্দের ১৮ কার্তিক (নভেম্বর, ১৮৮৮) ফরিদপুর জেলার পাংশা উপজেলার অন্তর্গত মাগুরাডাঙ্গা গ্রামে তাঁর জন্ম। পিতা এনায়েতুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ অফিসার। তাঁর প্রধান রচনা হলো: ধর্মের কাহিনী (১৯১৪), নূরনবী (১৯১৮), শান্তিধারা (১৯১৮) ও মানব মুকুট (১৯২৬)।
গোলাম মোস্তফার অনন্য কীর্তি বিশ্বনবী। বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় গ্রন্থগুলোর অন্যতম এ গ্রন্থখানি। বাংলা ভাষায় রচিত হজরত মুহাম্মদ সা: - এর জীবনী গ্রন্থগুলোর অন্যতম শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ বিশ্বনবী। গোলাম মোস্তফা রাসূল প্রেমিক সাহিত্যিক। তাই রাসূল সা: - এর প্রতি অগাধ প্রেম - ভালোবাসা থেকেই তিনি বিশ্বনবী রচনা করেছেন। প্রকৃতপক্ষে বিশ্বনবী গোলাম মোস্তফার ‘ইশক - ই - রাসূল’ (রাসূল প্রেম) - এর ফসল। বইটির পরতে পরতে তিনি নিজেকে ‘আশেকে রাসূল’ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। ইতিহাসের তথ্য, তত্ত্ব ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ, দার্শনিক যুক্তি ইত্যাদি উপস্থাপনের মাধ্যমে হজরতের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য তার প্রয়াস এ গ্রন্থে সর্বত্র। হজরতের জীবন ঘটনার কল্পচিত্র, সাবলীল বর্ণনা, আকর্ষণীয় উপস্থাপনা বিশ্বনবীর বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
সিদ্দিকী, খোন্দকার শামসুদ্দীন মোহাম্মদ উনিশ শতকের প্রথম মুসলমান গদ্যলেখক। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার সর্বমঙ্গল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা খোন্দকার গোলাম ফরিদ ছিলেন একজন পীর। সুফি সাধক ও তত্ত্বজ্ঞানী হিসেবে তাঁর খ্যাতি ছিল। তিনি ফকিরিমতে বহু লোককে দীক্ষিত করেন। শামসুদ্দীন নিজেও এ ধারার অনুসারী ছিলেন। তাঁর রচিত দুখানি গ্রন্থ হলো ভাবলাভ (১৮৫৩) ও উচিৎ শ্রবণ অর্থাৎ পারমার্থিক ভাব (১৮৬০)। প্রথমটি পদ্যে এবং দ্বিতীয়টি গদ্য - পদ্যের মিশ্রণে রচিত সুফিতত্ত্বের গ্রন্থ। শামসুদ্দীনের গদ্যের ভাষা আধুনিক, কিন্তু আড়ষ্ট। তবে তাঁর কবিতার ভাষা শুদ্ধ, প্রাঞ্জল ও অর্থবহ। বিশেষত গানের আঙ্গিকে রচিত কবিতায় তাঁর সৃজনশীল শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। ‘আমার প্রাণ - প্রেয়সী সরদ শশী হাস্যবদনী/ দীর্ঘনাসি কুটিলকেশী মৃগনয়নী/ জিজ্ঞাসিলে কেহে তুমি, কৈলাস অনুগত আমি/ যাবে কোথা জিজ্ঞাসিল আবার কামিনী। ’ তাঁর উচিৎ শ্রবণ গ্রন্থের এই গানে গজলের প্রভাব আছে।
জব সলুশন