‘ঠক চাচা’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
প্যারীচাঁদ মিত্রের ও বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল।
১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে এটি প্রকাশিত হয়।
ঠক চাচার নাম মোকাজান মিয়া।
অত্যন্ত ধূর্ত বুদ্ধি সম্পন্ন। এটি উপন্যাসের জীবন্ত চরিত্র।
Related Questions
'সোনার কাবিন' কাব্যগ্রন্থটি কবি আল মাহমুদের লেখা।
'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থ দিয়ে কবি আল মাহমুদ কবি প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করেছিলেন। এ কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা;জাতিস্মর, পালক ভাঙার প্রতিবাদে , তোমার আড়ালে, সোনালী কাবিন প্রভৃতি।
সরল সুদের সূত্রটি হলো: সুদ = (মূলধন × সময় × হার) / ১০০. এখানে, সুদে-আসলে ৫০,০০০ টাকা দেওয়া আছে, অর্থাৎ সুদ + মূলধন = ৫০,০০০ টাকা। আমরা মূলধনকে 'ক' ধরলে, সুদ হবে (৫০,০০০ - ক) টাকা। সুদের হার ৫% এবং সময় ২০ বছর।
সুতরাং, সূত্র অনুযায়ী:
(৫০,০০০ - ক) = (ক × ২০ × ৫) / ১০০
(৫০,০০০ - ক) = (১০০ক) / ১০০
৫০,০০০ - ক = ক
৫০,০০০ = ক + ক
৫০,০০০ = ২ক
ক = ৫০,০০০ / ২
ক = ২৫,০০০ টাকা
অতএব, মূলধন হল ২৫,০০০ টাকা।
বাংলাদেশের মৎস্য আইনে ২৩ সেন্টিমিটার কম দৈর্ঘ্যের রুই জাতীয় মাছের পোনা মারা নিষেধ।
দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট - ১৯৫০; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত । নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধিতে বিরাট অন্তরায়। এ সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সলে এ আইন প্রণয়ন করে ।
প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর ( আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি হতে পৌষ মাসের মাঝামাঝি ) মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের ( ৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস , ঘনিয়া মাছের পোনা মারা নিষেধ।
রেলওয়ে স্টেশনে আগমনরত ইঞ্জিনে বাঁশি বাজাতে থাকলে প্লাটফর্মে দাড়ান ব্যাক্তির কাছে বাঁশীর কম্পনাঙ্ক-
শব্দের উৎস থেকে কম্পাঙ্ক যেদিকে যায়, শব্দের উৎস তথা ট্রেন সেদিকেই এগোতে থাকলে কম্পাঙ্কের ঘনত্ব বাড়ে, এতে শব্দের তিব্রতা বাড়ে
- বৈদ্যুতিক বাল্বে হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, নাইট্রোজেন বাল্বের ভিতরে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয় কিন্তু ও ক্রিপ্টন গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
- তবে সাধারণ বৈদ্যুতিক বৈদ্যুতিক বাল্বে সাধারণত আর্গন গ্যাস সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
- এই গ্যাসগুলো নিষ্ক্রিয় এবং চূড়ান্ত রকম বিক্রিয়া প্রতিরোধক।
- এই গ্যাসগুলো তাদের ধর্ম বজায় রাখতে বাল্বের মধ্যের ফিলামেন্টকে আগুনে পুড়ে যেতে বাধা দেয় বলে বাল্বের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়।
পুকরের পানির চেয়ে সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ কারন সমুদ্রের পানিতে নানা ধরনের লবণ দ্রবীভূত থাকে।
তাই সমুদ্রের পানির ঘনত্ব নদীর পানি বা পুকুরের পানির চেয়ে বেশি।
ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারনে সমুদ্রের পানির প্লবতা নদী বা পুকুরের পানির চেয়ে বেশি।
ফলে সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটার সময় সাঁতারুর শরীরের উপর প্লবতা বেশি হওয়ায় শরীর হালকা বলে মনে হয়।
এ কারনে নদী বা পুকুরের পানির তুলনায় সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
জব সলুশন