রাজলক্ষ্মী' চরিত্রর স্রষ্টা ঔপন্যাসিক -----
গল্পকার। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক।
● তার অনেক উপন্যাস ভারতবর্ষের প্রধান ভাষাগুলোতে অনূদিত হয়েছে।
- বড়দিদি (১৯১৩),
- পল্লীসমাজ (১৯১৬),
- দেবদাস (১৯১৭),
- চরিত্রহীন (১৯১৭),
- শ্রীকান্ত (চারখণ্ডে ১৯১৭-১৯৩৩),
- দত্তা (১৯১৮),
- গৃহদাহ (১৯২০),
- পথের দাবী (১৯২৬),
- পরিণীতা (১৯১৪),
- শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ইত্যাদি শরৎচন্দ্র রচিত বিখ্যাত উপন্যাস।
● বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার দরুন তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত।
● রাজলক্ষ্মী, শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, অন্নদা দিদি, অভয়া-- চরিত্রের স্রষ্টা ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
Related Questions
আলালি ও হুতোমি ভাষা বলা হয় 'চলিত ' ভাষাকে । বাংলা চলিত ভাষায় লেখা প্যারীচাঁদ মিত্রের (টেকচাঁদ ঠাকুর ) 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসটি (১৮৫৮) । এ থেকে 'আলালি ভাষা' প্রচলিত হয়। আবার কালীপ্রসন্ন সিংহ একই ভাষা রীতিতে রচনা করনে 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' উপন্যাসটি (১৮৬২) । এ থেকে 'হুতোমি ভাষা' প্রচলিত হয়।
- আলালের ঘরের দুলাল তাঁর শ্রেষ্ঠ এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস। ...
- মদ খাওয়া বড় দায়, জাত থাকার কি উপায়(১৮৫৯) উদ্ভট কল্পনা তাঁর এ গ্রন্থে লক্ষ করা যায়।
- অভেদী(১৮৭১)
- আধ্যাত্মিকা(১৮৮০)
- 'দ্য জমিন্দার অ্যান্ড রায়তস' নামের গ্রন্থটি তখনকার সময়ে অনেক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত উপন্যাস - আলালের ঘরের দুলাল। আলালের ঘরের দুলাল বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সফল উপন্যাস। প্যারীচাঁদ মিত্র এর ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর। ১৮৫৮ সালে তিনি এই উপন্যাস রচনা করেন। কলকাতার ততৎকালীন সমাজ এর প্রধান বিষয় বস্তু। ঠকচাচা এর প্রধান চরিত্র।
বাংলা সাহিত্য ধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হলেন প্যারীচাঁদ মিত্র। তিনি বাংলা সাহিত্যে আলালের ঘরের দুলাল নামে প্রথম উপন্যাস রচনা করেন। তিনি এই উপন্যাসে প্রথম চলিত ভাষা প্রয়োগ করেন। কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম রণসংগীত এবং বিদ্রোহী কবিতা রচনা করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সার্থক ছোটগল্পের প্রবর্তক হিসেবে খ্যাত। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রথম সার্থক উপন্যাসের প্রবর্তক হিসেবে খ্যাত।
জব সলুশন