মেঘমল্লার গ্রন্থের রচয়িতা হলেন -

ক) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) সৈয়দ মুজতবা আলী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

মেঘমল্লার গ্রন্থের রচয়িতা হলেন - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১২ই সেপ্টেম্বর, ১৮৯৪ - ১লা নভেম্বর, ১৯৫০) ছিলেন একজন জনপ্রিয় ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্প লিখে খ্যাতি অর্জন করেন। পথের পাঁচালী ও অপরাজিত তাঁর সবচেয়ে বেশি পরিচিত উপন্যাস।

গল্প - সংকলন:

মেঘমল্লার (১৯৩১)

মৌরীফুল (১৯৩২)

যাত্রাবাদল (১৯৩৪)

জন্ম ও মৃত্যু (১৯৩৭)।

Related Questions

ক) জীবননান্দ দাশ
খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) অমিয় চক্রবর্তী
ঘ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ক) ভ্রান্তিবিনোদ
খ) ভ্রান্তিবিনোদ
গ) ভক্তির জয়
ঘ) নারীজাতিবিষয়ক প্রস্তাব
ক) জানকীর অগ্নিপরীক্ষা
খ) নিভৃত-চিন্তা
গ) প্রভাত-চিন্তা
ঘ) নিশীথ-চিন্তা
ক) সিআইই
খ) বিদ্যাসাগর
গ) রায়বাহাদুর
ঘ) প্রমোদলহরী
ক) ১৮৯৭ সালে
খ) ১৯০৯ সালে
গ) ১৮৭২ সালে
ঘ) ১৯১০ সালে
ক) কালীপ্রসন্ন সিংহ
খ) কালীপ্রসন্ন ঘোষ
গ) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
ঘ) এস ওয়াজেদ আলী
Note :

কালীপ্রসন্ন ঘোষ (জুলাই ২৩, ১৮৪৩ - অক্টোবর ২৯, ১৯১০) ছিলেন একজন বাঙালী সাহিত্যিক। তিনি ছিলেন একাধারে লেখক, সাংবাদিক ও বাগ্মী।

কালীপ্রসন্ন ঘোষ এর জন্ম - মৃত্যু
১৮৪৩ সালের ২৩ জুলাই ঢাকা বিভাগের বিক্রমপুরের ভরাকর গ্রামে তার জন্ম। তার পিতার নাম শিবনাথ ঘোষ। ১৯১০ সালের ২৯ অক্টোবর তিনি পৃথিবী ত্যাগ করেন।

কালীপ্রসন্ন এর ঘোষ কর্মময়তা
বাল্যকাল থেকেই তিনি বাগ্মিতার পরিচয় দেন। মাত্র বিশ বছর তখন তিনি কলকাতার ভবানীপুরে খ্রিস্টধর্ম সম্পর্কে এক বক্তৃতা দিয়ে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ মনীষীর প্রশংসা অর্জন করেছিলেন। এরপর থেকেই ব্রাহ্ম সমাজের সঙ্গে তার একটা যোগসূত্র স্থাপিত হয় এবং পরবর্তীতে তিনি ব্রাহ্মসমাজে যোগদান করেন।

তিনি ছিলেন পূর্ববঙ্গীয় ব্রাহ্মসমাজের একজন বিশিষ্ট সভ্য। তিনি তার সাংবাদিক জীবন শুরু করেন ঢাকার ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত "ঢাকা শুভসাধিনী সভার" মুখপত্র "শুভসাধিনী" সম্পাদনার মাধ্যমে। এ সাপ্তাহিক পত্রিকাটি তিনি প্রকাশ করেছিলেন ঢাকার ব্রাহ্মযুবকদের জন্য। ৪ বছর পর ১৮৭৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি সম্পাদনা করেন সেই সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পত্রিকা "বান্ধব"।

বাইশ বছর বয়সে ১৮৬৫ সালে ঢাকার নিম্ন আদালতে পেশকার হিসেবে কালীপ্রসন্ন ঘোষের কর্মজীবন শুরু হয়। এখানে এগারো বছর চাকরি করার তিনি ভাওয়াল এস্টেটের প্রধান দেওয়ান হিসেবে যোগ দেন এবং তিনি ভাওয়ালের প্রভূত উন্নতি সাধন করেন। সেখানে তিনি দীর্ঘ পঁচিশ বছর যুক্ত ছিলেন। এ সময় তিনি ‘সাহিত্য - সমালোচনী সভা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করেন। কালীপ্রসন্ন বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ - এর সদস্য (১৮৯৪) এবং সহ - সভাপতির (১৮৯৭ - ১৯০০) পদ অলঙ্কৃত করেন। এছাড়াও তিনি সাহিত্য সম্মেলনের সভাপতি, ডিস্ট্রিক্ট বোর্ডের সদস্য এবং সদর লোকাল বোর্ডের সভাপতির মত গুরুত্বপূর্ণ কিছু দায়িত্ব পালন করেন।

কালীপ্রসন্ন ঘোষ এর লেখালেখি
কালীপ্রসন্ন মূলত দর্শন ও সমাজ সম্পর্কে লিখতেন।

প্রবন্ধ
প্রভাত - চিন্তা (১৮৭৭)
নিভৃত - চিন্তা (১৮৮৩)
নারীজাতিবিষয়ক প্রস্তাব (১৮৯৬)
নিশীথ - চিন্তা (১৮৯৬)
গ্রন্থ
ভ্রান্তিবিনোদ (১৮৮১)
প্রমোদলহরী (১৮৯৫)
ভক্তির জয় (১৮৯৫)
মা না মহাশক্তি (১৯০৫)
জানকীর অগ্নিপরীক্ষা (১৯০৫)
ছায়াদর্শন (১৯০৫) প্রভৃতি।
এ ছাড়া "সঙ্গীতমঞ্জরী" (১৮৭২) নামে একখানা আধ্যাত্মিক সঙ্গীতসংগ্রহ এবং "কোমল কবিতা" (১৮৮৮) নামে একখানা শিশুপাঠ্য গ্রন্থও তিনি রচনা করেন।

কালীপ্রসন্নের রচনারীতি বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র এবং ইংরেজ পন্ডিত কার্লাইলের দ্বারা অনেকাংশে প্রভাবিত। তার রচনাসমূহ ভাবগাম্ভীর্য, ইতিহাসচেতনা ও গভীর জীবনবোধেপূর্ণ।

পুরস্কার
ইংরেজ সরকার তাকে পান্ডিত্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৮৯৭ সালে "রায়বাহাদুর" এবং ১৯০৯ সালে "সিআইই" উপাধি প্রদান করে। বাংলার পণ্ডিতগণ তাকে "বিদ্যাসাগর" উপাধিতে অভিষিক্ত করেন।

জব সলুশন

জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (27-02-2026)

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) - উপ-সহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা (পুর)/প্রাক্কলনিক (06-02-2026)

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন