কোনটি কাব্যগ্রন্থ নয়?
Related Questions
বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ ‘প্রাগৈতিহাসিক’ (১৯৩৭)। শিরোনাম গল্পের বিখ্যাত দুটি প্রধান চরিত্র ভিখু ও পাঁচি।
বন্দ্যোপাধ্যায়, মানিক (১৯০৮ - ১৯৫৬) কথাসাহিত্যিক। ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে। পিতা হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের গ্রাজুয়েট। তিনি সেটেলমেন্ট বিভাগে চাকরি করতেন এবং শেষজীবনে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
‘বায়ান্ন গলির এক গলি’ কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুনের একটি উপন্যাস। তার অন্যান্য উপনাস - মধুমতি,মন এক শ্বেত কপোতী, সাহেব বাজার, ফেরারী সূর্য, জীবনের আর এক নাম, অনন্ত অন্বেষা, রাজারবাগ, শালিমারবাগ
“নীল লোহিত” সনাতন পাঠক ছদ্মনামে পরিচিত সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় । কালকূট ও পরশুরাম ছদ্মনামে খ্যাত যথাক্রমে - সমরেশ বসু ও রাজশেখর বসু। সমর সেনের উপাধি নাগরিক কবি ।
-কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৮ - ১৯৫৬) শরৎচন্দ্র ও কল্লোল গোষ্ঠীর লেখকদের পর বাংলা সাহিত্যে
বস্তুতান্ত্রিকতা ও মনোবিশ্লেষণ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিফলিত হয়।
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬),
- আরোগ্য (১৯৫৩),
- পুতুলনাচের ইতিকথা (১৯৩৬),
- শহরতলী (১৯৪০-৪১),
- চিহ্ন (১৯৪৭),
- চতুষ্কোণ (১৯৪৮),
- জননী (১৯৩৫),
- দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫),
- সার্বজনীন (১৯৫২) প্রভৃতি
ছোটগল্পঃ
- সমুদ্রের স্বাদ (১৯৪৩), হলুদ পোড়া (১৯৪৫),
- আজ কাল পরশুর গল্প (১৯৪৬),
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৫০),
- প্রাগৈতিহাসিক (১৯৩৭), সরীসৃপ (১৯৩৯),
- ফেরিওয়ালা (১৯৫৩) ইত্যাদি।
জব সলুশন