মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরটি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী?
মুক্তিযুদ্ধের সময় একমাত্র ব্যতিক্রমধর্মী সেক্টর হল ১০ নং সেক্টর।
মুক্তিযুদ্ধকালীন ১১টি সেক্টরের মধ্যে ১০নং সেক্টরটি ছিল নৌ - সেক্টর। নৌবাহিনীর আটজন বাঙালি কর্মকর্তার সমন্বয়ে এই সেক্টর গঠন করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালে ১০নং সেক্টরে ছিল নদী ও বঙ্গোপসাগর।
একে তিনটি সাব - সেক্টরে ভাগ করা হয়।
এ সেক্টরে কোনো নিয়মিত কমান্ডার ছিল না। এটি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল।
Related Questions
৪ এপ্রিল বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ বাহিনী গঠিত হয়। ১১ এপ্রিল এ বাহিনীকে সম্প্রসারণ করে পুনর্গঠন করা হয়। এরপর ১২ এপ্রিল লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এম. এ. রবকে চিফ অব স্টাফ করে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাহিনীর কার্যক্রম শুরু করা হয় এবং একই সাথে কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ বাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপিত হয়।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর ২ নং সেক্টরের অধীনে ছিল। (২ নং সেক্টরের অধীনে ছিল - নোয়াখালী জেলা, কুমিল্লা জেলার আখাউড়া - ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত এবং ফরিদপুর ও ঢাকার অংশবিশেষ)
নারী বীরপ্রতীক মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
তার জন্ম স্থান হলো রাজীবপুর, কুড়িগ্রাম।
তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫৭ সালে।
ডা. সেতারা বেগম যুদ্ধ করেন ২ নং সেক্টরে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করে।
১০ নম্বর সেক্টর পরিচিত ছিল নৌ সেক্টর হিসেবে।
এ সেক্টরের নিদিষ্ট কোনো এলাকা ছিল না কোন সাব সেক্টর ও ছিল না।
ত্রিভূজাকৃতি ভূমির সামান্য কিছু ওপরে বন্দুক কাঁধে নারী ও পুরুষের সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ ও বিজয়ের প্রতীক ‘অপরাজেয় বাংলা’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভভন চত্বরে অবস্থিত। দেশের সর্বস্তরের মানুষের স্বাধীনতার সংগ্রামে অংশগ্রহনের প্রতিকী চিহ্ন অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯। এর স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার দু'জন মহিলাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করে। তারা হচ্ছেন ক্যাাপ্টেন সেতারা বেগম (সেনাবাহিনী) এবং মোসাম্মৎ তারামন বেগম (গণবাহিনী ১১ নং সেক্টর)। ক্যাপ্টেন সেতারা বেগমকে ঐ সময় চিহ্নত করা হলেও তারামন বেগমকে দীর্ঘ ২৪ বছর পর ডিসেম্বর ১৯৯৫ - এ চিহ্নিত করা হয়। ১৯ ডিসম্বের ১৯৯৫ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে তারামন বেগমকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান
জব সলুশন