নদীর একপাশ থেকে গুন টেনে নৌকাকে মাঝনদীতে রেখেই সামনের দিকে নেয়া সম্ভব হয় কিভাবে?

ক) নদী স্রোতের ব্যবহার করে
খ) যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
গ) গুন টানার সময় টানটি সাম্নের দিকে রেখে
ঘ) পাল ব্যবহার করে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

যখন গুণ টানা হয় তখন নৌকার উপর প্রযুক্ত বলে দুটি উপাংশে ক্রিয়া করে, যার এক অংশ নৌকাকে সামনের দিকে চালিত করে এবং অন্য অংশ নৌকাকে পাড়ের দিকে চালিত করে। তবে মাঝি যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে পাড়ের দিকে বলের উপাংশকে প্রশমিত করতে পারে। ফলে সামনের দিকের বলের ক্রিয়ায় নৌকা সামনের দিকে মাঝ নদী বরাবর চলে।

Related Questions

ক) ০.৩
খ) √০.৩
গ) ২/৫
ঘ) ১/৩
Note :

ক. ০.৩

খ.✓(০.৩) = ০.৫৪৭৭

গ. (২/৫) = ০.৪ 

ঘ. (১/৩) = ০.৩৩

সুতরাং বৃহত্তম সংখ্যাটি ✓(০.৩)

ক) ১৮
খ) ২৪৮
গ) ২১৭
ঘ) ২২৪
Note :

 ধরি, সংখ্যাটি = x

শর্তমত,

x এর ২/৭=৬৪

            = (৬৪x৭)/২ 

             = ২২৪

সুতরাং x = ২২৪

ক) ৯.৬ কিলোগ্রাম
খ) ১১.০ কিলোগ্রাম
গ) ৪৮.০কিলোগ্রাম
ঘ) ৫৬.০ কিলোগ্রাম
Note :

মোট মিশ্রণ = ৬৪ কিলোগ্রাম।
বালির পরিমাণ = ৬৪ কিলোগ্রামের ২৫% = ৬৪ * (২৫/১০০) = ১৬ কিলোগ্রাম।
পাথর টুকরার পরিমাণ = ৬৪ - ১৬ = ৪৮ কিলোগ্রাম।

এখন, আমরা কিছু পরিমাণ বালি (ধরি 'ক' কিলোগ্রাম) মেশাতে চাই যাতে নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরার পরিমাণ ৪০% হয়।
নতুন মিশ্রণে মোট পরিমাণ = (৬৪ + ক) কিলোগ্রাম।
নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরার পরিমাণ = ৪৮ কিলোগ্রাম।
শর্তানুসারে, নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরার পরিমাণ হবে মোট পরিমাণের ৪০%।
সুতরাং, ৪৮ = (৬৪ + ক) * (৪০/১০০)
৪৮ = (৬৪ + ক) * (২/৫)
৪৮ * (৫/২) = ৬৪ + ক
২৪ * ৫ = ৬৪ + ক
১২০ = ৬৪ + ক
ক = ১২০ - ৬৪
ক = ৫৬ কিলোগ্রাম।

অতএব, ৫৬ কিলোগ্রাম বালি মেশালে নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরার পরিমাণ ৪০% হবে।

ক) ০.০৯২৯
খ) ৭.৩২
গ) ৬.৪৫
ঘ) ৬৪.৫০
Note :

১ বর্গসেন্টিমিটার = ০.১৬ বর্গইঞ্চি (প্রায়)
১ বর্গমিটার = ১০.৭৬ বর্গফুট (প্রায়)
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর (প্রায়)
১ বর্গইঞ্চি = ৬.৪৫ বর্গসেন্টিমিটার (প্রায়)
১ বর্গফুট = ৯২৯ বর্গসেন্টিমিটার (প্রায়)
১ বর্গগজ = ০.৮৪ বর্গমিটার (প্রায়)
১ বর্গমাইল = ৬৪০ একর

ক) কলা হতে ফুসফুসে বর্জ্য পদার্থ বহন করা
খ) ক্ষুধাস্ত্র হতে কলাতে খাদ্যের সারবস্তু বহন করা
গ) হরমোন বিতরণ করা
ঘ) জারক রস বিতরণ করা
Note :

রক্তের কাজ :
১। রক্ত সারা দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে ।
২। লোহিত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে কোষে কোষে অক্সিজেন পরিবহণ করে ।
৩। শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায়য় রোগজীবাণু ধ্বংস করে দেহকে সুস্থ রাখে ।
৪। দেহের কোন স্থান কেটে গেলে অনুচক্রিকা সে সস্থানে রক্ত জমাট বাঁধায় । ফলে ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত বন্ধ হয় ।
৫। রক্তরসের মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড, ইউরিয়া, হজমকৃত খাদ্যবস্তু(যথা : গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, ফ্যাটি এসিড, গ্লিসারল), হরমোন ইত্যাদি দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত হয় ।

ক) হৃৎপিন্ডের সজোরে সংকোচন বা বন্ধ হয়ে যাওয়া
খ) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
গ) হৃৎপিন্ডের অংশবিশেষের অসাড়তা
ঘ) ফুসফুস হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়া
Note :

✔ স্ট্রোক হল মস্তিষ্কের রক্তনালির একটি রোগ। সেই রক্তনালি ছিঁড়ে যাওয়া অথবা ব্লক হয়ে যাওয়া স্ট্রোকের কারণ। রক্তনালি ছিঁড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়।

✔ কোনও কারণে মস্তিষ্কের রক্তবাহী ধমনীর পথ সংকীর্ণ হয়ে বা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে রক্ত চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেলে মস্তিষ্কের কোষ অক্সিজেনের অভাবে নিস্তেজ হয়ে যায়। এতে রোগির অজ্ঞান বা মৃত্যুও ঘটতে পারে।
  এটাকেই চিকিৎসকেরা স্ট্রোক বলেন। যাদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তাদেরও স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেশি।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন