বাংলাদেশে GDP-তে কৃষিখাতের অবদান কত শতাংশ?
অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৫
সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫-এর সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য নিম্নোক্ত তথ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
- মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- আয়তন: ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (২০২৩): ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব (২০২৩): ১,১৭১/বর্গকি.মি.।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ- ৭০.৮ ও নারী- ৭৩.৮)।
- সাক্ষরতার হার (৭+বয়স): ৭৭.৯% (পুরুষ- ৮০.১ % ও নারী- ৭৫.৮%)।
- চলতি মূল্যে জিডিপি: ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা।
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার বা ৩,২১,২৫৪।
- স্থির মূল্যে জিডিপি: ৩৪,৭৯,০০১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয়: ৩,৩৯,২১১ কোটি টাকা।
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি/মূল্যস্ফীতি (২০২৫): ৮.৪৮% [খাদ্য- ৭.৩৯ ও খাদ্য বহির্ভূত- ৯.৩৭]
- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)
- আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- সার্বিক লেনদেন ভারসাম্য উদ্ধৃত্ত: ৩,৩৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট রেমিট্যান্স/প্রবাসী আয়: ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। [২০২৪-২৫ অর্থবছর]
- মোট কর্মক্ষম জনশক্তি/শ্রমশক্তি (১৫ বছরের অধিক): ৭১.৭১ মিলিয়ন [শ্রমশক্তি জরিপ, ২০২৪ অনুযায়ী]
- স্থূল জন্মহার (প্রতি হাজারে),২০২৩: ১৯.৪ জন
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে),২০২৩: ৬.১ জন
- শিশু মৃত্যুর হার (প্রতি হাজারে): ২৭ জন (১ বছরের কম)
- আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র: ৩০টি। [উৎপাদনরত - ২১টি , স্থগিত - ০৫টি ও উৎপাদনে যায়নি - ০৪টি]
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭% [খানা আয়-ব্যয় জরিপ,২০২২ অনুসারে]
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬% [খানা আয়-ব্যয় জরিপ,২০২২ অনুসারে]
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান: ১০.৯৮%
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান: ৩৭.৪৪%
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান: ৫১.৬২%
- মোট শ্রমশক্তির শতকরা হার (২০২৪): কৃষি- ৪৪.৬৭%; শিল্প- ১৭.৩৭%; সেবা- ৩৭.৯৬।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ব্যাংক আছে ৬১টি।
* রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
* বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
* বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
* বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৯টি।
- ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৫ টি।
- জাতীয় মহাসড়কের দৈর্ঘ্য: ৪,২৯৪ কি.মি.
Related Questions
বাংলাদেশে সারা বছর নাব্য ভ্রমন নদী পথের দৈর্ঘ্য ৫২০০ কিঃ মিঃ
জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম বৃহত্তম দেশ。
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৪টি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র রয়েছে。 কেন্দ্রগুলো হলো:
১. বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র: রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র, যা ১৯৭৫ সালে স্থাপিত হয়。
২. তালিবাবাদ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র: গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় অবস্থিত। এটি দেশের দ্বিতীয় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র。
৩. মহাখালী ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র: ঢাকা শহরের মহাখালীতে অবস্থিত。
৪. সিলেট ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র: সিলেট জেলায় অবস্থিত。
হিমছড়ি কক্সবাজার শহরের নিকট অবস্থিত।
সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্যই নির্ভর করে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপের উপর। সাধু ভাষায় এই পদগুলো পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘ হয়, অন্যদিকে চলিত বা প্রমিত ভাষায় এগুলো সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয়।
সমধাতুজ কর্ম : বাক্যের ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ যদি একই ধাতু বা ক্রিয়ামূল থেকে গঠিত হয়, তবে তাকে সমধাতুজ কর্মপদ বলে। অর্থাৎ, ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ একই শব্দমূল থেকে গঠিত হলে তাকে সমধাতুজ কর্মপদ বলে। যেমন -
আজ এমন ঘুম ঘুমিয়েছি।
এখানে ক্রিয়াপদ ‘ঘুমিয়েছি’, আর কর্মপদ ‘ঘুম’ (কী ঘুমিয়েছি?)। আর এই ‘ঘুমিয়েছি’ আর ‘ঘুম’ দুটি শব্দেরই শব্দমূল ‘ঘুম্’। অর্থাৎ, শব্দ দুইটি একই ধাতু হতে গঠিত (ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলে)। সুতরাং, এই বাক্যে ‘ঘুম’ কর্মটি একটি সমধাতুজ কর্ম। এরকম -
আজ কী খেলা খেললাম। (খেল্)
আর মায়াকান্না কেঁদো না। (কাঁদ্)
জব সলুশন