একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোন চিহ্ন বসে ?
একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোলন (:) চিহ্ন বসে। তবে বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এটি মূলত একটি পূর্ণ বাক্যের পরে অপর একটি বাক্যের বা উদাহরণের অবতারণা করার সময় ব্যবহৃত হয়
Related Questions
বৃত্তি বা পেশা অর্থে ‘ঈ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে পোদ্দারী শব্দটিতে। এখানে পোদ্দার শব্দের সাথে ‘ঈ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পোদ্দার বা পোদ্দারের বৃত্তি (পেশা বা ব্যবসা) অর্থে শব্দটি গঠিত হয়েছে
"বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়" বাক্যটিতে 'বাঘে-মহিষে' হলো ব্যতিহার কর্তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
ব্যতিহার কর্তা চেনার উপায়: কোনো বাক্যে যখন দুজন কর্তা একত্রে একই জাতীয় বা পারস্পরিক কাজ সম্পন্ন করেন, তখন তাকে ব্যতিহার কর্তা বলে l এই কর্তার ক্ষেত্রে উভয় কর্তার মধ্যে একটি পারস্পরিক ক্রিয়া বা সম্পর্ক বোঝায়।
ব্যতিহার কর্তার অন্যান্য পরিচিত উদাহরণ:রাজায়-রাজায় লড়াই হয়।,কোন্দলে-কোন্দলে ক্ষয়।হেঁয়ালি-হেঁয়ালি কথা।পাগলে-পাগলে কথা হয়।
লা ভাষায় সমাসের রীতি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত। মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের অনুকরণে এবং নিয়ম অনুযায়ী বাংলায় সমাস গঠিত ও ব্যবহৃত হয়ে আসছে। একাধিক পদের একপদীকরণ বা সংক্ষেপণ।ভাষাকে সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর করা।
‘আমার যাওয়া হয়নি’ বাক্যটিতে ‘আমার’ পদটি হলো কর্তায় ষষ্ঠী। যেহেতু 'আমার' (আমি + র/এর) শব্দটির সাথে 'র' বিভক্তি যুক্ত আছে এবং কাজটি সরাসরি এই কর্তার মাধ্যমেই সম্পাদিত হচ্ছে, তাই এটি কর্তাকারকে ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ভাববাচ্যের কর্তায় সাধারণত ষষ্ঠী বিভক্তি হয়।
চৌচালা - - বহুব্রীহি সমাস। চৌ চাল যে ঘরের। পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং পরপদ বিশেষ্য হলে এবং সমস্তপদটি বিশেষণ হলে তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি বলে।
পরস্পর একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির (ব্যঞ্জন সন্ধি) উদাহরণ | যেসব সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নিয়ম মেনে চলে না, কিন্তু ব্যাকরণে নিয়মবহির্ভূতভাবেই সিদ্ধ বা গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয় | সন্ধি বিচ্ছেদ: পরস্ + পর = পরস্পর
জব সলুশন