নিচের কোনটি ব্যাকরণের পাণিনি ধারা?

ক) শাকটায়নী
খ) সৌপদ্ম
গ) কালাপিক
ঘ) লঘু কৌমুদী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

শাকটায়নী হলো ব্যাকরণের একটি প্রাচীন ধারা, যা পাণিনি ধারার অন্তর্ভুক্ত বা তার সাথে সম্পর্কিত। সংস্কৃত ব্যাকরণে পাণিনি পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে অনেকগুলো ধারা বা সম্প্রদায় প্রচলিত ছিল। পাণিনি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'অষ্টাধ্যায়ী'-তে পূর্ববর্তী অনেক ব্যাকরণবিদের নিয়ম উল্লেখ করেছেন, যার মধ্যে শাকটায়ন অন্যতম

Related Questions

ক) ভাষাবিদ
খ) বৈয়াকরণিক
গ) ঋগ্বেদবিদ
ঘ) ঔপন্যাসিক
Note :

পাণিনি ছিলেন প্রাচীন ভারতের (বর্তমান পাকিস্তানের শালাতুর অঞ্চল) সর্বশ্রেষ্ঠ সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ এবং ভাষাতত্ত্ববিদ । খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ থেকে ৪র্থ শতাব্দীর মধ্যে তার রচিত বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থ 'অষ্টাধ্যায়ী' ভাষার গঠন ও ব্যাকরণ বিশ্লেষণে এক যুগান্তকারী সৃষ্টি । তাকে প্রায়শই 'ভাষাবিজ্ঞানের জনক' বলা হয়ে থাকে

ক) সুকুমার সেন
খ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
গ) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ঘ) পাণিনি
Note :

উপমহাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাকরণবিদ ছিলেন প্রাচীন ভারতের প্রখ্যাত পণ্ডিত পাণিনি। তিনি 'ভাষাবিজ্ঞানের জনক' হিসেবেও পরিচিত। পাণিনি সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য তথ্য: আবির্ভাব: আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ থেকে ৪র্থ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে তিনি প্রাচীন ভারতে (বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু নদ সংলগ্ন এলাকায়) জন্মগ্রহণ করেন। সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ: তাঁর রচিত কালজয়ী সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'অষ্টাধ্যায়ী'।  কর্মপদ্ধতি: এতে সংস্কৃত ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব এবং বাক্যতত্ত্বের প্রায় ৩,৯৫৯টি নিয়ম অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক ও গাণিতিক উপায়ে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। গভীর প্রভাব: তাঁর এই ব্যাকরণ কাঠামো আধুনিক ভাষাবিজ্ঞান ও এমনকি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের ভিত্তি নির্মাণে গভীর অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে

ক) বর্ণমালা
খ) ব্যাকরণ
গ) ধ্বনি
ঘ) সমাস
Note :

ভাষার সংবিধান হলো ব্যাকরণ।

শব্দের ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি।

সমাস হলো ভাষাকে সংক্ষেপ করে।

বাংলায় মোট বর্ণমালা হলো ৫০ টি। স্বরবর্ণ ১১টি ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি।

ক) ভাষাকে চলিতে
খ) ভাষাকে শাসন করে
গ) ভাষাকে বলিতে
ঘ) ভাষাকে বর্ণনা করে
Note :

ব্যাকরণ ভাষাকে বর্ণনা করে।

ব্যাকরণ শব্দের সঠিক অর্থ হলো - বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা।

ব্যাকরণ ভাষাকে সঠিকভাবে নির্দেশ করতে সাহায্য করে।

ক) ব্যাকরণ
খ) ভাষা
গ) ব্যাকরণ ও ভাষা একসাথে
ঘ) কোনোটিই নয়
Note :

মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম ভাষা।
- মানুষের মুখে উচ্চারিত অর্থবোধক ও মনোভাব প্রকাশক ধ্বনিসমষ্টিকে ভাষা বলে।
- ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আবিষ্কারের নামই ব্যাকরণ ।
- সুতরাং, আগে ভাষা সৃষ্টি হয়েছে; তারপর ভাষাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করার জন্য ব্যাকরণ সৃষ্টি হয়েছে।

ক) ব্যাকরণ ভাষার অনুগামী
খ) ভাষা ব্যাকরণের অনুগামী
গ) ব্যাকরণ শিক্ষার অনুগামী
ঘ) ব্যাকরণ শব্দযন্ত্রের অনুগামী
Note :

সঠিক উত্তরটি হলো: ব্যাকরণ ভাষার অনুগামী,  ভাষা আগে সৃষ্টি হয়েছে এবং মানুষ কীভাবে কথা বলে তা বিশ্লেষণ ও বর্ণনা করার জন্যই পরবর্তীতে ব্যাকরণ তৈরি করা হয়েছে。 অর্থাৎ, ভাষা ব্যাকরণ মেনে চলে না, বরং ব্যাকরণ সবসময় ভাষার নিয়ম অনুসরণ করে চলে l

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন