ব্ধ' যুক্তবর্ণটি কীভাবে গঠিত হয়েছে?
ব্ধ' যুক্তবর্ণটি ব এবং ধ-এর সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। এটিকে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: ব্ + ধ (ব হসন্ত + ধ) কয়েকটি প্রচলিত শব্দ হলো: লব্ধ, শব্দ, লব্ধি ইত্যাদি।
Related Questions
'তীক্ষ্ণ' শব্দটিতে ব্যবহৃত যুক্তব্যঞ্জনটি হলো 'ক্ষ্ণ'। এর সঠিক বিশ্লেষণ হলো: ক্ + ষ্ + ণ। ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'ক্ষ' (ksha) তৈরি হয় 'ক্ + ষ্' দিয়ে। আর এর সাথে মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়ে 'ক্ষ্ণ' গঠিত হয়। ণত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে, 'ষ্'-এর পরে 'ন' থাকলে তা 'ণ' (মূর্ধন্য ণ) হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর: ক+ষ্+ণ (বা ক্+ষ্+ণ)।
- 'ক্ষ' এর বিশ্লিষ্ট রূপ = ক+ষ
- 'ক্ষ্ম' এর বিশ্লিষ্ট রূপ = ক+ষ+ম
'পক্ষী' শব্দের সংযুক্ত বর্ণ 'ক্ষ' গঠিত হয়েছে 'ক' এবং 'ষ' বর্ণ দুটি নিয়ে। অর্থাৎ, ক্ + ষ = ক্ষ।
বাংলা অভিধানে 'ক্ষ' (যুক্তবর্ণ) কোনো স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে আলাদা ক্রমে বসে না। এটি 'ক' বর্ণের অন্তর্গত ভুক্তি হিসেবে ক-এর একেবারে শেষে বা ক-ফলা এবং অন্যান্য যুক্তাক্ষরের পর (যেমন: ক, ক্ক, ক্ট... ক্ষ) স্থান পায় l 'ক্ষ'-এর এই অবস্থানের কারণ ও বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো: গঠন: 'ক্ষ' মূলত 'ক্' (ক্) এবং 'ষ' (মূর্ধন্য ষ) এই দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত একটি যুক্তবর্ণ (ক্ + ষ = ক্ষ)。 অভিধানের নিয়ম: বাংলা অভিধানগুলোতে বর্ণমালার প্রথম থেকে ক্রমানুসারে শব্দ সাজানো হয়। যেহেতু 'ক্ষ' একটি যুক্তবর্ণ, তাই 'ক' দিয়ে শুরু হওয়া সব সাধারণ শব্দ এবং অন্যান্য যুক্তবর্ণ শেষ হওয়ার পর 'ক্ষ' দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের ভুক্তিগুলো আসে l
বাংলা ভাষায় একাধিক ব্যঞ্জনধ্বনি পরস্পর সংযুক্ত হয়ে যে বর্ণ গঠন করে, তাকে যুক্তবর্ণ বা যুক্তাক্ষর বলে।
যুক্তবর্ণগুলো লেখার সময় অনেক ক্ষেত্রে বর্ণের আকার পরিবর্তিত হয়ে যায়, তাই এগুলো চিনে রাখা জরুরি।
'হ্ণ' একটি অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ। এটি হ্ + ণ (মূর্ধন্য ণ) -এর সমন্বয়ে গঠিত।
এই যুক্তবর্ণটি লেখার সময় 'হ'-এর নিচে বা ডান পাশে 'ণ'-এর আকৃতি যুক্ত হয়। 'অপরাহ্ণ' শব্দে আমরা এই যুক্তবর্ণটির ব্যবহার দেখতে পাই।
• উদাহরণ:
অপরাহ্ণ (দিনের শেষ ভাগ), পূর্বাহ্ণ (দিনের প্রথম ভাগ)।
ষ্ণ = ষ + ণ; যেমন - কৃষ্ণ |
হ্ন = হ + ন; যেমন - চিহ্ন |
জব সলুশন