কোন গুলো মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনের উদাহরণ?
মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন হলো যেসব ব্যঞ্জন উচ্চারণে বেশি বায়ু (শ্বাস) নির্গত হয়।
বাংলা ভাষায় মোট ৩৩টি ব্যঞ্জনের মধ্যে ১৪টি মহাপ্রাণ।
মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনগুলো হলো:
খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ, শ, ষ, স, হ
এখন বিকল্পগুলো যাচাই করা যাকঃ
১. প, ব, ত, দ → এরা সব অমহাপ্রাণ। ❌
২. দ, ফ, ভ, খ → শুধু ফ, ভ, খ মহাপ্রাণ; দ নয়। ❌
৩. ফ, ভ, খ, ধ → এরা সবাই মহাপ্রাণ। ✅
৪. ট, ব, খ, গ → খ মহাপ্রাণ, বাকিগুলো অমহাপ্রাণ। ❌
👉 সঠিক উত্তর: ফ, ভ, খ, ধ ✅
Related Questions
মহাপ্রাণ ধ্বনি — খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ, ঢ়।
উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে অপেক্ষাকৃত বেশি বায়ু নির্গত হয় এবং শ্বাসঘাত বেশি থাকে, তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে l মহাপ্রাণ ধ্বনির মধ্যে রয়েছে: খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ
যে ধ্বনি উচ্চারণে নিঃশ্বাস অল্প আকারে সংযােজিত হয় তাকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি। যেমন - চ, ক, ট, ত, প, গ, জ, দ, ব।
'ঞ্জ' যুক্ত বর্ণের গঠিত হয় ঞ্ + জ। যেমন, গঞ্জ, রঞ্জ, কুন্ঞ্জ।
'বিজ্ঞান' শব্দের 'জ্ঞ' (জ্ঞ) যুক্তবর্ণটির সঠিক রূপ হলো জ্ + ঞ l এই যুক্তবর্ণটি দিয়ে গঠিত অন্যান্য সাধারণ শব্দ হলো জ্ঞান, বিজ্ঞ ইত্যাদি。
'জ্ঞ' যুক্তবর্ণে যে দুটি বর্ণ রয়েছে তা হলো জ্ + ঞ।
জব সলুশন